আন্তর্জাতিক ক্রিকেটক্রিকেটবাংলাদেশ ক্রিকেট

ক্রিকেটের তীর্থ ভূমিতেও পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ

গতকালই ভারতের বিপক্ষে চলমান লর্ডস টেস্টে অনন্য এক রেকর্ড গড়েছেন ইংলিশ ক্রিকেটার ক্রিস ওকস। ঐতিহাসিক লর্ডসে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। যার মাধ্যমে এই মাঠের রেকর্ডবুকে নিজের নাম উঠাতে সক্ষম হয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

তবে তাঁর রেকর্ডটি শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে নয়। ক্রিকেটের তীর্থ ভূমি এই মাঠে পাঁচ উইকেট নেয়ার সৌভাগ্যও হয়েছে তাঁর। তাই তিনি দুই বিভাগ মিলিয়েই লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নয় নম্বর ক্রিকেটার হিসেবে নাম লিখিয়েছেন।

এদিকে ক্রিস ওকসের আগেই এই বোর্ডে নাম লিখিয়েছিলেন বাংলাদেশের দুইজন ক্রিকেটার। তবে তারা দুইজনই রয়েছেন আলাদা বিভাগে। বাংলাদেশের আস্থাশীল ওপেনার তামিম ইকবাল তাঁর নাম উঠিয়েছিলেন একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে।

২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন দেশের এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ১০০ বলে ১০৩ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। যদিও ম্যাচটি জেতা সম্ভব হয়নি টাইগারদের।

তবে শতক হাঁকিয়ে লর্ডসের অনার্স বোর্ডে বিখ্যাত ব্যাটসম্যানদের কাতারে নিজের নাম লেখাতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। এছাড়া একই ম্যাচে বাংলাদেশের নাম উপস্থাপন করেছিলেন আরেকজন ক্রিকেটার।

নিজের বোলিং জাদু দিয়ে লর্ডসের মাটিতে পাঁচ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েছিলেন পেসার শাহাদাত হোসেন রাজিব। যার ফলে তাঁর নামটিও যুক্ত করা হয়েছিল ঐতিহাসিক এই মাঠের রেকর্ডবুকে।

উল্লেখ যোগ্য বিষয় হল, টাইগারদের বর্তমান বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশেরও নাম রয়েছে বোলারদের এই কীর্তিতে। ২০০০ সালে লর্ডসের এই বিখ্যাত অনার্স বোর্ডে নাম লিখিয়েছিলেন তিনি।

 

ইংল্যান্ডের বোলিং কোচের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন গিলেস্পি

এতদিন ইংল্যান্ড জাতীয় দলের বোলিং কোচ ছিলেন ওটিস গিবসন। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক এই ক্রিকেটারকে প্রধান কোচ বানিয়ে নিজেদের কাছে নিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা। হুট করে নিয়ে যাওয়া অশোভন, তাতে অবশ্য ক্ষতিপূরণও দিতে হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। কিন্তু ক্ষতিপূরণে কী আর শিক্ষা লাভ করা যায়!

আর তাই ওটিস গিবসনের আনুষ্ঠানিক বিদায়ের আগেই ইংলিশ বোলারদের জন্য নতুন কোচের সন্ধানে নেমেছে ইসিবি। রিচার্ডসন কাজ করবেন চলমান ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ পর্যন্ত।

নতুন কোচ খুঁজতে মরিয়া ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ড কোচ হওয়ার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তী ফাস্ট বোলার জ্যাসন গিলেস্পিকে। কিন্তু ইংল্যান্ডের সেই প্রস্তাবে এক বাক্যে ‘না’ করে দিয়েছেন গিলেস্পি।

অথচ এই ইংল্যান্ডেই কোচ হিসেবে দারুণ স্মৃতি ও সফলতা আছে তার। ক্রিকেট খেলা একেবারে ছেড়ে দেওয়ার পর কোচিং করানোকেই ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেন গিলেস্পি। এরপর ২০১৪ ও ২০১৫ সালে ইয়র্কশায়ারের কোচ হয়ে কাজ করেন তিনি। অসাধারণ কোচিং দক্ষতা ও ব্যাপক অভিজ্ঞতার কারণে তাকে পাওয়ার জন্য মরিয়া ছিল ইংল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের বোলিং কোচ হওয়ার প্রসঙ্গে আলাপকালে গিলেস্পি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি এটি নিয়ে ভাবছি না। আমি অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের সাথে চুক্তি করেছি। আসন্ন ডিসেম্বর জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য বিগ ব্যাশ নিয়ে আমরা রোমাঞ্চিত। বিগ ব্যাশ নিয়ে আমি বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তাই ইংল্যান্ডের কোচ হওয়া-না হওয়া নিয়ে কারও সাথে কিছু বলতে চাই না আমি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণত যখন আপনাকে কেউ কল করে এবং বলে আপনার সাথে আলাপ করতে চায়, আপনি শোনেন। কিন্তু সত্যি বলতে, এই ব্যাপারটায়, এমন কিছুই নেই যে আমি ভাবছি।’

ক্রিকেট খেলা ছাড়ার পর কোচ হিসেবে অভিজ্ঞতা অর্জনের ঝুলি নিয়ে ঘোরা সাবেক অস্ট্রেলীয় ফাস্ট বোলার আরও জানান, নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে কোচিং অভিজ্ঞতা বাড়ানোই এখন তার লক্ষ্য।

Related Articles

Close