ক্রিকেটবাংলাদেশ ক্রিকেট

মাশরাফি চমৎকার অধিনায়ক, নেতৃত্বের ক্ষেত্রে তিনি এক উজ্জল দৃষ্টান্ত

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নবনিযুক্ত কোচ স্টিভ রোডস ‘স্ট্রেইট খেলা পছন্দ করেন।’ দলকে এগিয়ে নেয়ার জন্য নির্বোধ কোন পন্থা অবলম্বন করতে চান না তিনি। জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দারুণ এক সফলতা এনে দিয়েছেন।

ক্যারিবীয় সফরে বালাদেশ ক্রিকেট দলের সফলতা এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তবে অন্য কোচের মত শুধু জাতীয় দল নিয়ে পড়ে থাকতে চাননা তিনি। সুযোগ পেলে বিশ্রামের পরিবর্তে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের দিকেও নজর দিতে চান তিনি।

‘এ’ দলের খেলোয়াড়দের সম্পর্কে ধারণা নিতে তিনি আয়ারল্যান্ড যাচ্ছেন। দলের ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ নির্মানের লক্ষে গত দুই দিন তিনি কাটিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে।ক্রিকবাজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রোডস বলেন, এখনো পর্যন্ত ভালই।

দলে উত্থান ও পতন দুটিই রয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে (ক্যারিবিয় অঞ্চলে) ছেলেদের পারফর্মেন্স বেশ ভালই। বিশেষ করে টেস্টে ব্যর্থতার পর ওডিআই ও টি-২০ সিরিজে তারা যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা ভালই।

সত্যিকার অর্থে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য এমন একটি মানসিকতার প্রয়োজন রয়েছে।আপনি যদি বাংলাদেশ দলের দিকে তাকান, মাশরাফি হচ্ছে চমৎকার অধিনায়ক। নেতৃত্বের ক্ষেত্রে তিনি এক উজ্জল দৃষ্টান্ত। তিনি যোদ্ধার মত অধিনায়ক এবং সবাই তাকে অনুসরণ করে।

টেস্ট ও টি-২০ অধিনায়ক হিসেবে আমরা সাকিবকে পেয়েছি। কৌশলগতভাবে তিনি চমৎকার অধিনায়ক। তার খেলার ধরনের কারণে দলের সবাই তাকে সম্মান করে। তবে টি-২০ ক্রিকেটের ক্ষেত্রে তার ক্রিকেটীয় মেধা অসাধারণ।

কারণ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তিনি টি-২০ ক্রিকেট খেলে বেড়ান। তিনি সব খেলোয়াড় এবং সংক্ষিপ্ত ভার্সন সম্পর্কে দারুনভাবে অবগত। আমরা ভাগ্যবান, কারণ দুইজন খুব ভাল অধিনায়ক পেয়েছি।

ক্রিকেটের তীর্থ ভূমিতেও পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ

গতকালই ভারতের বিপক্ষে চলমান লর্ডস টেস্টে অনন্য এক রেকর্ড গড়েছেন ইংলিশ ক্রিকেটার ক্রিস ওকস। ঐতিহাসিক লর্ডসে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। যার মাধ্যমে এই মাঠের রেকর্ডবুকে নিজের নাম উঠাতে সক্ষম হয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

তবে তাঁর রেকর্ডটি শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে নয়। ক্রিকেটের তীর্থ ভূমি এই মাঠে পাঁচ উইকেট নেয়ার সৌভাগ্যও হয়েছে তাঁর। তাই তিনি দুই বিভাগ মিলিয়েই লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নয় নম্বর ক্রিকেটার হিসেবে নাম লিখিয়েছেন।

এদিকে ক্রিস ওকসের আগেই এই বোর্ডে নাম লিখিয়েছিলেন বাংলাদেশের দুইজন ক্রিকেটার। তবে তারা দুইজনই রয়েছেন আলাদা বিভাগে। বাংলাদেশের আস্থাশীল ওপেনার তামিম ইকবাল তাঁর নাম উঠিয়েছিলেন একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে।

২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন দেশের এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ১০০ বলে ১০৩ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। যদিও ম্যাচটি জেতা সম্ভব হয়নি টাইগারদের।

তবে শতক হাঁকিয়ে লর্ডসের অনার্স বোর্ডে বিখ্যাত ব্যাটসম্যানদের কাতারে নিজের নাম লেখাতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। এছাড়া একই ম্যাচে বাংলাদেশের নাম উপস্থাপন করেছিলেন আরেকজন ক্রিকেটার।

নিজের বোলিং জাদু দিয়ে লর্ডসের মাটিতে পাঁচ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েছিলেন পেসার শাহাদাত হোসেন রাজিব। যার ফলে তাঁর নামটিও যুক্ত করা হয়েছিল ঐতিহাসিক এই মাঠের রেকর্ডবুকে।

উল্লেখ যোগ্য বিষয় হল, টাইগারদের বর্তমান বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশেরও নাম রয়েছে বোলারদের এই কীর্তিতে। ২০০০ সালে লর্ডসের এই বিখ্যাত অনার্স বোর্ডে নাম লিখিয়েছিলেন তিনি।

Related Articles

Close