আন্তর্জাতিক ক্রিকেটক্রিকেট

অভাবের তাড়নায় রিকশা চালাতেন ইউসুফ!

পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফ খেলেছেন পাকিস্তানের হয়ে, ছিলেন ডানহাতি তুখোর ব্যাটসম্যান ও অধিনায়ক। লাহোরে জন্মগ্রহন কারী এ ক্রিকেটার জন্মগতভাবে ছিলেন হিন্দু পরে খ্রিষ্টান ধর্মে দীক্ষিত হন।

এর পর ২০০৫ সালে তিনি মুসলিম ধর্মে দীক্ষিত হন। পাকিস্তানের এ ক্রিকেটার যিদি অভাবের তাগিদে রিকশাও চালিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো।

জানাযায়, ইউসুফ নিম্নশ্রেণীভূক্ত হিন্দু বাল্মিকি গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন যারা পরবর্তীতে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেন। বাবা ইয়োহানা মাসেহ রেলওয়ে স্টেশনে কাজ করতেন ও রেলওয়ে কলোনিতে বসবাস করতো তাদের পরিবার। শৈশবে তিনি ব্যাট চালাতে পারতেন না; তাই তার ভাইয়েরা টেনিস বলের সাহায্যে তাকে সাহস যোগাতেন। ১২ বছর বয়সে গোল্ডেন জিমখানা দলের দৃষ্টিতে পড়েন ও ক্রিকেটের সাথে সম্পৃক্ত হন।

২০১০ সালে ইউসুফকে নিষিদ্ধ করা হয় এর পর ওই বছরই তিনি আন্তর্জাতিক সকল ক্রিকেটকে বিদায় জানান। যদিও পরবর্তীতে তাকে পিসিবি তাকে যোগদানের জন্য অনুরোধ জানিয়েছিল।

 

টি-টোয়েন্টিতে চাইলেও সবসময় বড় রান করতে পারবেন না

 

তরুণ ব্যাটসম্যানদের নিয়ে যখন সমালোচকরা তুঙ্গে, তখনই সাফল্যের শীতল পরশ লিটন কুমার দাসের ব্যাটে। মাত্র শেষ হওয়া উইন্ডিজ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে খেললেন ৬১ রানের ঝড়ো ইনিংস। তাতেই ঝরছে প্রশংসার ফুলঝুরি। তবে লিটন বাস্তবতা বুঝতে চাইছেন। এই ফরম্যাটে যে সবসময় বড় ইনিংস খেলা যায় না, সেটা মনে করিয়ে দিচ্ছেন।

ডানহাতি এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানের সীমিত ওভারের ক্রিকেটে খুব একটা সুবিধা হয় না। হলেও খুব ভালো করে কাজে লাগাতে পেরেছেন তেমনও নয়। ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে খেলেছেন ২৭ ম্যাচ। যেখানে একটি মাত্র হাফ সেঞ্চুরি আছে বলার মতো, সেটাও এই উইন্ডিজ সিরিজেই।

নিজের ব্যর্থতা মাথায় নিয়েই লিটন দেশে ফিরে বলেছেন, ‘সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আমি খুব বেশি ম্যাচ খেলিনি। এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছি। এর আগে নিদাহাসে খেলেছি। এই ফরম্যাটে আপনি চাইলেও সবসময় বড় রান করতে পারবেন না। এখানে রানের একটা চাপ থাকে। চেষ্টা করেছি যতক্ষণ উইকেটে থাকা যায় ততক্ষণ রান করার। নিদাহাসে একটা ভালো ইনিংস ছিল, যদিও অর্ধশতক পাইনি। এবারের একটু বড় ইনিংস খেলার চেষ্টা করেছি। তবে আরেকটু ভালো খেললে দলের জন্য ভালো হতো।’

ওয়ানডেতে সেভাবে সুযোগ না পাওয়ার কারণ হিসেবে নিজের পারফরম্যান্সের চেয়ে বরং টিম কম্বিনেশনের কথা সামনে আনছেন এই ক্রিকেটার। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘টিম কম্বিনেশনের জন্য যে কেউ খেলতে পারে। আমি খারাপ বা অন্য কেউ ভালো, বিষয়টা এমন না। দল যেটা চাইবে সেটাই একাদশে খেলাবে।’

লিটনের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়েছেন জাতীয় দলের কোচ স্টিভ রোডস। তাই তিনিও তার প্রশংসা করলেন, ‘লিটন দাসের পারফরম্যান্সে আমি খুবই সন্তুষ্ট। শেষ ম্যাচে ও দারুণ খেলেছে।

Related Articles

Close