আন্তর্জাতিক ফুটবলফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৮ফুটবল

প্রেসিডেন্টের উদ্দাম নাচের পর এবার ক্রোয়েশিয়ার মন্ত্রীদের অভিনব উদযাপন

বিশ্বকাপ কী-ই না করতে পারে। জয়ের পর ক্রোয়েশিয়ার জার্সি গায়ে ভিআইপিতে প্রেসিডেন্টের নৃত্য দেখেছেন অনেকেই। এবার তিনি একা নন পুরো মন্ত্রিসভা বৈঠক করল ক্রোয়েশিয়ার জার্সি গায়ে দিয়ে।
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ক্রোয়েশিয়া। মডরিচ-রাকিটিচদের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বাসে ভাসছে পুরো ক্রোয়েশিয়া। এই তালিকা থেকে বাদ যাননি দেশটির মন্ত্রীরাও। ক্রোয়েশিয়ার জার্সি গায়েই তারা অংশ নিয়েছেন মন্ত্রিসভার বৈঠকে। পুরো সময় তারা জাতীয় দলের জার্সি পরেছিলেন।

দল শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করার পর মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্র্যাবার কিটারোভিচ। ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচটি শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে বিমানের ইকোনমি ক্লাসে করে রাশিয়ায় পৌঁছান তিনি। ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মডরিচ-রাকিটিচদের উৎসাহ দিয়েছেন। কোলিন্দা ছাড়াও সেমিফাইনাল ম্যাচটি দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচ। দলের জয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত প্লেনকোভিচ দেশে ফিরে জাতীয় দলের জার্সি গায়েই অংশ নিয়েছেন মন্ত্রিসভার বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া অন্যান্য মন্ত্রীরাও জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আসেন।

শুধু তা-ই নয়, জার্সির পেছনে লেখা ছিল প্রিয় ফুটবলারের নাম। মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে মন্ত্রীদের জার্সি গায়ে বৈঠকের ছবি ও ভিডিও। দেশে ফিরেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দিয়ে ফুটবলারদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘লুকা মডরিচের দলের এই জয় ক্রোয়েশিয়ার সবচেয়ে বড় উত্থান। এই জয় দেখিয়ে দিয়েছে দেশ ছোট হলেও হৃদয় অনেক বড়। ১৯৯৮ সালের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সকেও হার মানিয়েছে বর্তমান দল।’

রাশিয়া বিশ্বকাপের শুরু থেকেই চমকপ্রদ পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে যাচ্ছে ক্রোয়েশিয়া। গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনা, নাইজেরিয়া ও শেষ ম্যাচে আইসল্যান্ডকে হারিয়ে ‘ডি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নেয় তারা।

 

কেলেংকারি ফাঁসের পর এবার ফেসবুক থেকে উধাও নাসিরের কথিত প্রেমিকা!

 

এবার নিজের কেলেংকারি ফাঁসের পর ফেসবুক থেকে পালিয়েছেন ক্রিকেটার নাসিরের কথিত প্রেমিকা

শাহ হুমাইরা সুবা। তার আগের দু’টি বিয়ে এবং প্রেমিকের মাকে হত্যার প্ররোচনা দেয়ার মতো ঘটনা দৈনিক ভোরের পাতার অনলাইন ভার্সনে প্রকাশিত হবার পর গাইবান্ধা থেকে বিভিন্ন জন যখন মুখ খুলতে শুরু করেছেন, তখনই ফেসবুক থেকে পালিয়ে গেছেন। গত দুইদিন ধরে তিনি কোনো লাইভে আসছেন না এমনকি ফেসবুক একাউন্টটিও বন্ধ করে রেখেছেন।

শাহ হুমাইরা সুবা, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এবং ইউটিউবে পরিচিত নাম। নিজেকে দেশের সুপারস্টার নায়িকা পরিমনীর চেয়েও অধিক জনপ্রিয় দাবি করার মতো হাস্যরসের কারণে নয়, তিনি সবচে বেশি আলোচিত এবং সমালোচিত হচ্ছেন ক্রিকেটার নাসিরের সঙ্গে গোপন প্রেম, প্রণয় এবং স্ক্যান্ডাল ফাঁস করে দিয়ে। কয়েকদিন আগেও এই সুবার ফেসবুকের ফলোয়ার ছিল মাত্র ৮ হাজার। সুন্দরী এই উঠতি নায়িকার ফেসবুক ফলোয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে ৪০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

ক্রিকেটার নাসিরের সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস এবং তাকে নিয়ে ফেসবুক লাইভে এসে একেক সময় একেক কথা বলা শাহ হুমাইরা সুভাও ব্যক্তিজীবনে দুইটি বিয়ে করেছেন। সর্বশেষ স্বামীকে মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়ে এবার নাসিরকে টার্গেট করেছেন তিনি।

ভোরের পাতার অনুসন্ধানে জানা গেছে, সুবা গাইবান্ধা মুন্সিপাড়ার এক উচ্চবৃত্তশালী পরিবারের একমাত্র ছেলে আকাশকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে। কিন্তু ছেলের বাবা, মা মেনে নেয়নি তবে পরবর্তীতে মেনে নেয়। এভাবেই কিছুদিন যায়। সুবার চলাফেরা খারাপ দেখে একদিন ছেলে, বাবার ঝগড়া শুরু হয় এক পযায়ে মেয়েটার কথা শুনে ছেলে বাবাকে মারতে ছুড়ি হাতে আকাশ এগিয়ে যায়। আকাশের মা আটকাতে গেলে মায়ের পেটে ছুড়ি বসিয়ে দেয়। ২০১১ সালের এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সুবার শ্বাশুড়ি মারা যান।

তারপর বেশ কিছুদিন সুভার প্রথম স্বামী আকাশ জেলে থাকে। পরে আকাশের বাবা ছেলেকে জেল থেকে ছাড়িয়ে আনেন ও এবং মেয়ের (সুবার) সাথে তালাক হয়। তবে এতে সুবা অনেক টাকা দেনমহর করেছিলো সে টাকা নিয়ে ছাড়াছাড়ি হয়।

তারপর সুবাকে অনেক দিন গাইবান্ধায় দেখা যায়নি। প্রথম বিয়ের তালাকের পরই রাজধানীতে চলে আসেন সুবা। ঢাকায় এসেও একাধিক পুরুষের সঙ্গে সখ্যতাা গড়ে তোলেন তিনি।

এরপর সুবার আর জিকোর মধ্যে প্রেম ভালবাসা শুরু হয় ২০১৪ সালের শেষের দিকে। তাদের বাসা একই পাড়ায় গাইবান্ধায় মাস্টার পাড়ায়। এরপরে ২০১৫সালের মাঝামাঝিতে জিকো এবং (সুবা) পালিয়ে যায়। খোজপাওয়া যায় তারা গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থানার এক গ্রামে লুকিয়ে ছিলো এবং তারা পরিবারকে না জানিয়েই বিয়ে করে। তারা পালিয়ে যাওয়ার ২০/২৫দিন পড়ে গাইবান্ধায় ফিরে আসে।কিন্তু আসার পড়ে জিকো বাসায় গেলে তাদের বাবা, মা মেনে না নিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে তারা বাসা ভাড়া নিয়ে কিছুদিন থাকেন। এসময় জিকো এবং সুবা দুজনেই বিভিন্ন নেশা দ্রব্য সেবন করতে শুরু করে।

এরপর হঠাৎ মেয়ে তার বাবার বাসায় যায় এবং ছেলেও তার বাসায় ফিরে যায়।তারপর নানা রকম নাটক শুরু হয়। ছেলেমেয়ে দুজন দুজনার বাসায় যাওয়া আশা শুরু করে।মাদকাসক্ত জিকোকে মাদক দ্রব্যসহ পুলিশ নিয়ে যায় ২০১৭ সালে। তখন সুবা আবারও বেপোরোয়া চলাফেরা শুরু করে।

তখন গাইবান্ধার খন্দকার মোড়ের লিখন এবং মিয়া পাড়ার রোমানের সাথে বন্ধুত্ব হয়। সুবা টাকার বিনিময়ে শারিরিক সম্পর্ক করে তাদের সাথে। কিন্তু সেই সময় নাকি লিখন ভিডিও করে এবং পরে সেই ভিডিওর কপি সুভাকে পাঠিয়ে লিখন, রোমান ব্লাকমেলিং করতে চায়।

কিন্তু তখন সুভার স্বামী জিকো জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে আসলে সব খুলে বলে। জিকো সুভাকে অন্ধের মতো ভালবাসতো, জিকো সুভাকে নিয়ে থানায় গেলে একটা পর্নগ্রাফি মামলা হয়। সেই মামলার আসামীরা লিখন, রোমান আরো একজন এখনো জেলে। এরপরে সুবা জিকোকে এড়িয়ে চলতেশুরু করে। আর প্রচার করতে থাকে যে তাদের মাঝে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে।

তার কিছুদিন পরেই সুবা ঢাকায় চলে আসে ।ঢাকাতেও যেয়ে একই কার্যকালাপ করে চলছে যার শিকার ক্রিকেটার নাসির।আর নাসিরকে নিয়ে ফেসবুকে লাইভ ভিডিও দেওয়ার কিছুদিন আগেই জিকোকে একটি মামলার ওয়ারেন্টে জেলে যেতে হয়েছে।

Related Articles

Close