আন্তর্জাতিক ফুটবলফুটবল

এবার সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন ডি-মারিয়া!

দল আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়েছে সুপার সিক্সটিনই। কিন্তু পরিসংখানের দিক দিয়ে এক দিক দিয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন ডি মারিয়া। সেটি হচ্ছে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গ্রেট খেলোয়াড়দের সাথেই খেলা হয়ে গিয়েছে ডি মারিয়ার।

মেসি ডি মারিয়া ঝুটিঃ জাতীয় দল থেকেই মেসির সাথে ডি মারিয়ার খুব ভালোই সম্পর্ক। এক সাথেই দুইজন খেলছেন জাতীয় দলের হয়ে।

নেইমার-ডি মারিয়াঃ নেইমার এবং ডি মারিয়া বর্তমান দুইজনেই একসাথে খেলছেন পিএসজির হয়ে।

ডি মারিয়া-রোনালদোঃ ডি মারিয়া রোনালদো দুইজনেই একসাথে খেলেছেন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। দুইজনের মাঝেই বেশ ভালো সম্পর্কই ছিলো।

ডি মারিয়া-রুনি-ইব্রাহিমোভিচঃ ইংল্যান্ডের গ্রেট রুনি এবং সুইডেনের ইব্রাহিমোভিচ দুইজনের সাথেই এক ক্লাবে খেলার সুযোগ পেয়েছেন ডি মারিয়া।

 

জ্বলে উঠলেন সেই মোস্তাফিজ, দেখুন কত উইকেট পেলেন

বাংলাদেশ এ দলের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা এ দলের তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম দুইটি টেস্ট ম্যাচ ড্র হয়েছিলো। আর তাইতো দুই দল এমন সমীকরণে দাঁড়িয়ে ছিল যে তৃতীয় ম্যাচটি যে দল জিতবে তারাই সিরিজ জিতবে। এমন সমীকরণের ম্যাচ প্রথম ইনিংসে লঙ্কান বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানরা।

প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১৬৭ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ এ দল। জ্বলে উঠলেন সেই মোস্তাফিজ, এরপর জবাবে ব্যাট করতে নেমে মোস্তাফিজুর রহমান ও সানজামুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দ্বিতীয় দিনেই থেমেছে শ্রীলঙ্কা এ দল। ৩১২ রানে তাদেরকে থামিয়েছে টাইগাররা। লঙ্কানদের হয়ে সিহান জয়সুরিয়া ১৪২ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন।

বাংলাদেশের হয়ে সানজামুল ইসলাম ৪টি, মোস্তাফিজুর রহমান ৩টি, নাঈম হাসান ২টি ও সৌম্য সরকার ১টি উইকেট শিকার করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। ১৯ রান করে ফেরেন সাদমান ইসলাম।

তবে ওপেনার সৌম্য সরকারের অপরাজিত ২৪ ও মিজানুর রহমানের অপরাজিত ১৩ রানে ভর করে ১ উইকেট হারিয়ে ৫৭ রানে দিন শেষ করেছে টাইগাররা। লঙ্কানদের থেকে এখনো ৮৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

ইনজুরি কাটিয়ে প্রায় দেড় মাস পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট ম্যাচ খেলতে নেমেছেন মোস্তাফিজ। মাঠে নেমেই দারুণ বোলিং করেছেন মোস্তাফিজ। মোট ১১ ওভার বোলিং করেছেন মোস্তাফিজ। ১১ ওভার বোলিং করে ৩টি উইকেটের দেখা পেয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ একাদশ: সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, মিজানুর রহমান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, নাইম হাসান, সাইফ হাসান, জাকির হোসাইন, খালেদ আহমেদ, মোহাম্মদ মিঠুন (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), সানজামুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান।

শ্রীলঙ্কা একাদশ: লাহিরু থিরিমান্নে (অধিনায়ক), শিহান জয়সুরিয়া, সাদিরা সামারাবিক্রমা, আসান শাম্মু, চারিথ আসালাঙ্কা, মনোজ শরৎচন্দ্র (উইকেটরক্ষক), প্রভাত জয়সুরিয়া, শিহান মাদুশাঙ্কা, মালিন্দা পুষ্পকুমারা, আসান প্রিয়ঞ্জন ও বিশ্ব ফার্নান্ডো।

Related Articles

Close