আন্তর্জাতিক ফুটবলফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৮ফুটবল

যে সমীকরনে এবারের বিশ্বকাপ নেওয়ার সম্ভাবনা বেশি স্পেনের

এবারের বিশ্বকাপে যে কয়েকটি দল ফেভারিটের তালিকায় আছে তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে স্পেন। নিজেদের সময়ে সেরাটা দিতে পারে কস্তার দল। তবে বিশ্বকাপের এক ইতিহাস ঘাঁটলে এবারের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি আছে স্পেনের।

২০১০ সালের বিশ্বকাপের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় টুর্নামেন্ট শুরুর আগে স্পেনের ক্যাসিয়াস ছিলেন বিশ্বের সেরা গোলকিপার। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন বনে যায় তারা।

২০১৪ সালের পরিস্নগখ্যান ঘাটলে দেখা যায় সেই বিশ্বকাপে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবন ভালো গোলকিপার ছিলেন ম্যানুয়েল ন্যুয়ের। সেই বিশ্বকাপও ঘরে তুললো জার্মানরা। এবারের বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান ঘাটলে দেখা যায় এবারের বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়া। তাহলে এবারো কি বিশ্বকাপ ঘরে তুলবে স্পেন?

রাশিয়ান তরুণীদের জন্য অন্যরকম সতর্কবার্তা

রাশিয়ান নারী ও যুবতীদের সতর্ক করেছেন দেশটির পার্লামেন্টারি কমিটির প্রধান তামারা প্লেটনিওভা। তিনি দুমা নামে রাশিয়ান পার্লামেন্টের পরিবার, নারী ও শিশু বিষয়ক কমিটির প্রধান। বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে যে মহাযজ্ঞ শুরু হয়েছে এ সময়ে শুধু যে ফুটবল যুদ্ধই হবে তা নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫ লাখ ফুটবল ভক্ত রাশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছেন। তাদের সঙ্গে যেন রাশিয়ার মেয়েরা যৌন সম্পর্ক স্থাপন না করে সেজন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তামারা। বলেছেন, এমন সম্পর্কে অসংখ্য শিশুর জন্ম হতে পারে, যাদের কোনো পিতৃপরিচয় থাকবে না।
সৃষ্টি হবে ‘ব্রোকেন ফ্যামিলি’। অর্থাৎ পরিবারের পিতা থাকবেন এক দেশে। মা থাকবেন আরেক দেশে।

বুধবার এক সাক্ষাৎকারে তামারা আরও সতর্ক করে ববলেছেন, এমন সব শিশু পরে ভয়াবহ মানসিক যন্ত্রণায় ভুগবে। সোভিয়েত যুগে এমনটা ঘটেছে। তিনি বলেছেন, ১৯৮০ সালে মস্কোতে অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের পর এ ঘটনা দেখা দিয়েছিল। তাই রাশিয়ানরা যেন কোনো বিদেশির সঙ্গে যৌন সম্পর্কে না জড়ান সেজন্য এমন আহ্বান তার। স্থানীয় গভোরিত মস্কভা রেডিওকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অনেক যুবতী বিদেশি অনেক পুরুষের সান্নিধ্য পাবেন। এ সময় তাদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক গড়ে উঠবে। এর ফল হিসেবে তারা জন্ম দেবেন সন্তান। এমনও হতে পারে তারা বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধও হতে পারেন।

আবার এমনটা নাও হতে পারে। কিন্তু যা-ই ঘটুক, এভাবে জন্ম নেয়া শিশুরা দুর্ভোগ পোহাবে। যদি এক্ষেত্রে পুরুষ ও নারী দু’জনেই একই গোত্রের বা বর্ণের হন বা না হন, তাহলেও ওই সন্তান মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করবে। অনেকেই বলে থাকেন রাশিয়া শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য এক উদার জমিন। সেখানে বিভিন্ন দেশ থেকে, বিভিন্ন বয়সের কয়েক লাখ ফুটবল ভক্ত গিজগিজ করছে এখন। কি হোটেল, কি অ্যাপার্টমেন্ট- সব জায়গায় শুধু বিদেশি আর বিদেশি। তাদেরকে মনোরঞ্জনের জন্য এরই মধ্যে গড়ে তোলা হয়েছে ‘সেক্স রোবটের’ পতিতালয়। কিন্তু এর বাইরে দেহপসারিণীরা সাজিয়েছেন পসরা। তারা এ সময়টাকে বাড়তি অর্থ উপার্জনের মওসুম হিসেবে দেখছেন।

আর যেসব বিদেশি রাশিয়ায় গিয়েছেন বা যাচ্ছে, তাদের সবাই যে শুধু ফুটবল যুদ্ধ ভোগ করতে যাচ্ছেন তা কেউ হলফ করে বলতে পারেন না। তাদের অনেকের মধ্যে চাড়া দিয়ে উঠবে আদিম নেশা। তা নিয়েই আতঙ্কিত তামারা। এ জন্যই তিনি রাশিয়ান নারী ও যুবতীদের সতর্ক করেছেন, যেন বিদেশিদের সঙ্গে তারা যৌন সম্পর্ক স্থাপন না করেন।

তবে এক্ষেত্রে কনডম ব্যবহার করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অবলম্বনের কথা তিনি উল্লেখ করেন নি। উল্লেখ্য, ইউরোপে সবচেয়ে বেশি এইচআইভির সংক্রমণ। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি হারে এইচআইভিতে আক্রান্ত হচ্ছে এই দেশেই। যারা এ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের অর্ধেকের বেশি অপ্রকৃত যৌন সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে।

Related Articles

Close