আন্তর্জাতিক ফুটবলফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৮ফুটবল

ইতিহাস গড়ে বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বুট জিতেছেন যারা

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রতি আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতাকে দেওয়া হয় গোল্ডেন বুট পুরস্কার। ফরোয়ার্ডের এই লড়াইয়ের উপর অনেকটা নির্ভর করে কোন দেশের বিশ্বকাপ জেতা আর না জেতা। বিডি২৪লাইভ পাঠকদের জন্য রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বুট জিতেছেন যারা তাদের বিষয়ে বর্ণনা দেয়া হলো।

বিশ্বকাপ মানেই চমক। গোল্ডেন বুট জয়ীদের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন রাশিয়ার ওলেগ সালেনকো ও বুলগেরিয়ার হ্রিস্টো স্টোচকোভ। এরা দুজনেই করেন ৬ গোল। রাশিয়া গ্রুপ পর্ব না পেরালেও বুলগেরিয়া খেলেছিল সেমিফাইনাল পর্যন্ত। একইভাবে ১৯৭৪ আসরে ৭ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতে নেয় পোল্যান্ডের গ্রেজেগ্রোজ লাটো সে আসরে দুর্দান্ত খেলে পোল্যান্ডরা থামে সেমিফাইনালে।

২০১৪ সালে অনেক বড় বড় তারকাদের ভীড়ে সর্বাধিক ৬ গোল করেন কলম্বিয়ার তারকা স্টাইকার জেমস রদ্রিগেজ। ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপের প্রথম আসরে সর্বাধিক ৮টি গোল করেন আর্জেন্টিনার গিলেরমো স্তাবিল। পরের আসরে চেকোস্লোভাকিয়ার ওল্ডরিক নেজলি করেন ৫ গোল। ১৯৩৮ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের লিওনিদাস ৭টি ও ১৯৫০ আসরে আরেক সেলেসাও তারকা আদেমির করে ৮ গোল।

বিশ্বকাপের একমাত্র খেলোয়ার হিসাবে পর পর দুই ম্যাচে হ্যাটিকের কৃতিত্ব দেখান হাঙ্গেরির স্যান্ডর ককসিস। ১৯৫৪ আসরে সর্বোচ্চ ১১ গোল করে এই ফরোয়ার্ড। ককসিসের এই ১১ গোলের রের্কড ভাঙ্গেন ফ্রান্সের জ ফতে। ক্যারিয়ারের ১টি মাত্র বিশ্বকাপ খেলা এই ফরাসি ৬ ম্যাচে করেন ১৩ গোল। এখন প্রযন্ত এই রের্কড কেউ ভাঙতে পারেনি।

১৯৬৬ বিশ্বকাপে পর্তুগালের উসিবও ৯ গোল করে জিতেন গোল্ডেন বুট। এই কিংবদন্তি ফুটবলারের নৈপূণ্যে আসরের তৃতীয় হয় পর্তুগাল।

১৯৭০ বিশ্বকাপে ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতে জার্মানির জার্ড মুলার। এতোক্ষণ যাদের কথা লেখা হয়েছে তারা সবাই ব্যক্তিগত পারফামেন্সে গোল্ডেন বুট জিতলেও দলকে বিশ্বকাপ জেতাতে পারেন নি।

ইতিহাসে মাত্র ৪ জন গোল্ডেন বুট জেতার পাশাপাশি দলকেও শিরোপা এনে দিয়েছে। ১৯৬২ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ভ্যালেন্টিন ইভানোভ ৪ গোল করে শিরোপা এনে দেয় দলকে। ১৯৭৮ আসরে আর্জেন্টিনার মারিও ক্যাম্পেস ৬ গোল করে শিরোপা ঘরে তোলে আর্জেন্টিনা। ১৯৮২ তে ইতালির পাওলো রসি ৬ গোল করে গোল্ডেন বুটের পাশাপাশি দলকে বিশ্বকাপ জেতান। এ তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছেন ব্রাজিলের রোনাল্ডো। ২০০২ আসরে ৮ গোল করে ব্রাজিলকে পঞ্চমবারের মতো শিরোপা এনে দেয় এই ফরোয়ার্ড।

Related Articles

Close