আন্তর্জাতিক ক্রিকেটক্রিকেট

ক্রিকেটে ২১ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ১৭ বছর বয়সী ক্রিকেটার!

ক্রিকেটে ২১ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ১৭ বছর বয়সী ক্রিকেটার! নারী ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহের রেকর্ডটি ছিল অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার বেলিন্ডা ক্লার্কের দখলে। ২২৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন তিনি ১৯৯৭ সালে ডেনমার্কের বিপক্ষে। আর কেউই ডাবল সেঞ্চুরি করতে পারেননি। এর মধ্যে কেটে গেল ২১ বছর।

অবশেষে ২১ বছরের আক্ষেপ ঘোচালেন কিউই অলরাউন্ডার এবং উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান অ্যামেলিয়া কার। তাও আবার মাত্র ১৭ বছর বয়সে। বুধবার আইরিশ মেয়েদের বিপক্ষে ১৪৫ বলে ৩১ চার এবং ২ ছক্কার মারে ২৩২* রানের ইনিংস খেলেছেন অ্যামেলিয়া। অ্যামেলিয়ার ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর করে টানা তৃতীয় ৪০০ ছাড়িয়েছে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৪০ রান করেছে কিউই মেয়েরা।

অ্যামেলিয়ার জন্ম ২০০০ সালের অক্টোবরে! সেই অ্যামেলিয়াই বুধবার ১৭ বছর বয়সে ভেঙে দিলেন ২১ বছরের পুরনো এক রেকর্ড।

এক নজরে নারী ক্রিকেট সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস:

অ্যামেলিয়া কার (নিউজিল্যান্ড)- ২৩২* বনাম আয়ারল্যান্ড (২০১৮)

বেলিন্ডা ক্লার্ড (অস্ট্রেলিয়া) – ২২৯* বনাম ডেনমার্ক (১৯৯৭)

দীপ্তি শর্মা (ভারত) – ১৮৮ বনাম আয়ারল্যান্ড (২০১৭)

চামারি আতাপাত্তু (শ্রীলংকা) – ১৭৮* বনাম অস্ট্রেলিয়া (২০১৭)

চারলত্তে এডওয়ার্ডস (ইংল্যান্ড) – ১৭৩* বনাম আয়ারল্যান্ড (১৯৯৭)

 

আইপিএল কী তার জন্য ‘অপয়া’? উত্তরে যা বললেন মুস্তাফিজ

আপনারা আগেই জেনে গিয়েছেন যে, ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলা হচ্ছেনা মোস্তাফিজের। এমনকি দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ মিস করার সম্ভাবনাও খুব বেশী কাটার মাষ্টারের। বুধবার নিজ মুখে সে কথাই জানিয়েছেন মোস্তাফিজ।

ইনজুরি থেকে পুনবার্সন প্রক্রিয়া ঠিক রাখতে এসে বুধবার শেরে বাংলায় উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মোস্তাফিজ জানিয়ে দিয়েছেন , তার পক্ষে টেস্ট সিরিজে দলে ফেরা সম্ভব নয়। ওয়ানডে সিরিজে ফিরবেন? এমন কথাও জোর দিয়ে বলতে পারেননি। সেটা সৃষ্টি কর্তার দয়া ও ইচ্ছের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন।

ওয়েষ্ট ইন্ডিজ সফরে দলে সম্পর্কে মোস্তাফিজের কথা, ‘এখন পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে। অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো। তিন সপ্তাহ হয়ে গেছে। যে কাজ দেখিয়ে দিয়েছেন ফিজিও, সেটাই ডে বাই ডে করার চেষ্টা করছি। ওভারঅল ভাল।’ ঈদের ছুটিতে কদিনের বিরতি, তার মধ্যেও রিহ্যাব চালিয়ে যাবেন। তা জানিয়ে বলেন, ‘গ্যাপ আছে। তবুও কিছু রিহ্যাব প্রোগ্রাম দিয়েছে, ওটা করতে হবে। আসার পর আবার দেখবে।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টেস্ট খেলা নিয়েও কোন আশাবাদি সংলাপ নেই।কথা বার্তায় বুঝিয়ে দিয়েছেন , টেস্ট খেলা হবেনা, তা ধরেই নিয়েছেন। ফেরার ব্যাপারে কতটা আশাবাদী? মোস্তাফিজের উত্তর, ‘চোটে পড়েছি, চেষ্টা করছি কীভাবে সেরে ওঠা যায়। যে কাজ দিয়েছে চেষ্টা করছি যেন তাড়াতাড়ি কামব্যাক করা যায়।’

টেস্ট মিস হলেও ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টিতে নিশ্চয়ই ফেরার আশা আছে? এবার সৃষ্টি কর্তার দ্বারস্থ মোস্তাফিজ , ‘সব ওপরআলার ইচ্ছা।’ এদিকে এবার নিয়ে দ্বিতীয় বার তিনি আইপিএল খেলতে গিয়ে ইনজুরির শিকার হলেন। এবং দুবারই আইপিএলের ইনজুরির জের ধরে জাতীয় দলের এ্যাসাইনমেন্ট মিস করা।

আইপিএল কি তবে তার জন্য ‘অপয়া’? মোস্তাফিজ তা মনে করেন না। তিনি বলেন, ‘খেলতে গেলে এমন হয়। আমার কপালে এমনটা ছিল বলেই হয়েছে।’ বারবার চোটের সঙ্গে লড়াই, আফসোস হয় কি না? মোস্তাফিজের উত্তর, ‘আফসোস থাকারই কথা। সব খেলোয়াড়ই চায় ধারাবাহিক খেলে যেতে।’

আপনার ক্ষেত্রে কেন বার বার হয় ? বারবার যে চোটে পড়ছেন। তার জবাব, ‘কী করব বলেন! কেউ তো ইচ্ছে করে পড়ে না। চেষ্টা তো করি সব সময়ই। হলে তো কিছু করার নেই।’

ঈদের ছুটিতে বাড়ী যাবেন। বাবা মা‘র সান্নিধ্য উপভোগ করেন। খুব ভাল লাগে। কিন্তু এবার খানিক মন খারাপ, টেস্ট দলে থাকলে আরও ভাল লাগতো। এমনটা জানিয়ে মোস্তাফিজ বলেন, ‘বাড়িতে অনেকদিন পর যাচ্ছি। গেলে ভালো লাগে। বাবা মা, পরিবারের সবাই থাকবে। যদি টেস্ট দলে থাকতাম তাহলে দুদিকেই ভালো লাগত। এখন শুধু পরিবার নিয়েই থাকতে হবে।

Related Articles

Close