আন্তর্জাতিক ফুটবলফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৮ফুটবল

পরিসংখ্যান: এক নজরে লিওনেল মেসি

নাম : লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা, স্ট্রাইকার)
জন্ম-২৪ জুন, ১৯৮৭।
উচ্চতা- ৫ফুট ৭ ইঞ্চি।

জার্সি নম্বর- ১০
ক্লাব- বার্সেলোনা

ফুটবল বিশ্বে পরিচিতি- ফুটবল জাদুকর, ফুটবল ঈশ্বর, এল এম টেন (LM10) নামে।

আর্ন্তজাতিক ক্যারিয়ার:
বর্তমান আর্জেন্টাইন অধিনায়কের দেশের জার্সিতে পথ চলা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালে। হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে সিনিয়র দলে সুযোগ পান মেসি (১৭অগস্ট)। বদলি ফুটবলার হিসেবে মাঠে নেমে এক মিনিটের মধ্যেই লাল-কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন লিও। এর আগে ২০০৫ ওয়ার্ল্ড ইউথ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে ট্রফি জিতিয়েছেন খুদে মেসি।

মেসির বিশ্বকাপ ডেবিউ :
পরের বছরেরই বিশ্বকাপ ডেবিউ হয় তার (২০০৬)। ১৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপে অভিষেক হয়েছিল মেসির। গ্রুপ ম্যাচে সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিরুদ্ধে গোল করেন মেসি।

সেবার অবশ্য কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের ছিটকে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। আয়োজক জার্মানির কাছে পেনাল্টিতে হার মেসিদের। এর পর ২০০৮ এর বেইজিং অলিম্পিকে মেসির নেতৃত্বে সোনা জেতে আর্জেন্টিনা

২০১০ বিশ্বকাপ:
সেবার নতুন সমীকরণ দেখল ফুটবলবিশ্ব। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে ৪-০ গোলে হেরে বসে আর্জেন্টিনা।

২০১৪ বিশ্বকাপ:
সেবারও পারল না তারা। ফাইনালে পৌঁছে জার্মানির কাছে হার মেসিদের। গোল্ডেন বল জিতলেন লিও। কিন্তু বিশ্বকাপ জেতা হল না।

২০১৮ বিশ্বকাপ:
রাশিয়া বিশ্বকাপের মাঝে ২৪ জুন ৩১ শে পা দেবেন মেসি। এটাই তাই মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ। শেষ বিশ্বকাপে দলের থেকে সেরাটা নিঙড়ে নিয়ে ট্রফি ছুঁয়ে দেখতে চাইবেন তিনি। বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে হাইতির বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি।

দেশের জার্সিতে পরিসংখ্যানে মেসি:

দেশের জার্সিতে মোট ১২৪ ম্যাচে ৬৪টি গোল রয়েছে মেসির। এই ১২৪ ম্যাচের ৭৬টিতে জিতেছে আর্জেন্টিনা। ২৭টি ড্র ও ২১ টিতে হেরেছে মেসির দেশ। দেশের জার্সিতে ৬ টি হ্যাটট্রিক রয়েছে মেসির।

গোল করিয়েছেন ৩৮টি। এই ৩৮টি গোল মেসি করিয়েছেন ১৬ জন সতীর্থদের দিয়ে। সর্বাধিক ৯টি গোল করিয়েছেন হিগুয়েনকে দিয়ে।

 

শ্রীলঙ্কা সফরে দক্ষিণ আফ্রিকা দলে ফিরলেন ডেল স্টেইন

পেসারদের বড় শত্রুর নাম ইনজুরি। এই শত্রুর সঙ্গে মোকাবেলা করতেই ৬টি মাস হারিয়ে গেল প্রোটিয়া গতিদানব ডেল স্টেইনের ক্যারিয়ার থেকে।

গত জানুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে কেপ টাউন টেস্টে সর্বশেষ খেলেছিলেন স্টেইন। এবার দীর্ঘ ৬ মাস পর শ্রীলঙ্কা সফরের দলে ফিরলেন এই গতিতারকা। তার আগমনে সম্প্রতি দুই তারকা মর্নে মরকেল এবং এবিডি ভিলিয়ার্সের অবসরে যাওয়ার ধাক্কাটা অনেকটাই সামলে নিতে পারবে প্রোটিয়ারা।
২০০৪ সালে ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে একই টেস্ট দিয়ে স্টেইন শুরু করেছিলেন ক্যারিয়ার। ডি ভিলিয়ার্স অবসরে গেলেও স্টেইন কদিন আগে বলেছেন, খেলে যেতে চান, যতদিন পারা যায়। গত জানুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে সেই টেস্ট ছিল তার চোট কাটিয়ে ফেরার মঞ্চ। এর আগে ১৪ মাস তিনি মাঠের বাইরে ছিলেন। ভারতের বিপক্ষে ওই টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২টি উইকেটও নিয়েছিলেন। কিন্তু ভাগ্য খারাপ হলে যা হয় আরকি, প্রত্যাবর্তন ম্যাচেই আবার গোড়ালির গাঁটের চোটে আক্রান্ত হন স্টেইন।

এই চোট তাকে আরও ৬ মাসের জন্য মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেয়।
চোটের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই শেষে কয়েকদিন আগে ক্রিকেটে ফেরেন তিনি। ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে হ্যাম্পশায়ারের হয়ে মাঠে নেমে ছন্দ ফিরে পেতে বেশ লড়তে হয়েছে তাকে। সারের হয়ে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের চলতি ম্যাচটিতে এক ইনিংসে ২৬ ওভার বোলিং করে ফিটনেসের প্রমাণ রেখেছেন। তাছাড়া নতুন করে পারফর্মেন্সের প্রমাণ দেওয়ার কিছু ছিল না। ফিজিওরা তাকে ফিট ঘোষণা করা মাত্র দলে নিতে দেরি করেনি দক্ষিণ আফ্রিকা টিম ম্যানেজম্যন্ট। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজটি শুরু হবে আগামী ১২ জুলাই।

দক্ষিণ আফ্রিকা দল: ডিন এলগার, এইডেন মারক্রাম, হাশিম আমলা, ফাফ দু প্লেসি (অধিনায়ক), টেম্বা বাভুমা, টিউনিস ডি ব্রুইন, কুইন্টন ডি কক, হাইনরিখ ক্লাসেন, কাগিসো রাবাদা, ভার্নন ফিল্যান্ডার, ডেল স্টেইন, লুঙ্গি এনগিডি, কেশভ মহারাজ, তাবরাইজ শামসি, শন ভন বার্গ।

Related Articles

Close