আন্তর্জাতিক ক্রিকেটক্রিকেট

বিশ্ব একাদশের হয়ে খেলতে ঢাকা ছাড়ছেন তামিম, জেনেনিন ম্যাচের সময়সূচী

গত বছর ক্যারিবিয়ানে হারিকেনে ক্ষতিগ্রস্থ স্টেডিয়ামগুলোর সংস্কারে জন্য আয়োজন করা হয়েছে একটি প্রদর্শনী টি-টোয়েন্টি ম্যাচের। আগামী বৃহস্পতিবার ৩১ মে লর্ডসে বিশ্ব একাদশের মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আইসিসি ম্যাচটিকে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মর্যাদাও।

বাংলাদেশ থেকে তামিম ও সাকিব আল হাসানকে রাখা হয়েছিল বিশ্ব একাদশে। কিন্তু সাকিব পরে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ব্যক্তিগত কারণে। তামিম ম্যাচটি খেলতে ঢাকা ছাড়ছেন শনিবার রাতে।

দুপুরে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ দলের অনুশীলনের আগে তামিম শোনালেন তার রোমাঞ্চের কথা। ম্যাচ নিয়েও উদ্বেলিত তামিম। যে মাঠে অনেক সুখস্মৃতি আছে, সেই লর্ডসে খেলতে যাচ্ছেন, কেমন লাগছে?

তামিমের জবাব, ‘স্মৃতি যদি ভালো নাও থাকতো, তাহলেও লর্ডসে গিয়ে ভালো লাগতো। কারণ, লর্ডসে আমাদের খুব বেশি খেলা হয় না। আবার ওখানে অনেক দিন পর খেলব, সে জন্য অবশ্যই এক্সাইটেড।’

তবে তামিমের শেষ কথা, লর্ডসে খেলার একটা আলাদা মোহ ও রোমাঞ্চ ভিতরে কাজ করলেও বিশ্ব একাদশের হয়ে খেলবেন- সেটা অনেক বড় বিষয় তার কাছে। তাই তো মুখে এমন সংলাপ, ‘লর্ডসে খেলার চেয়েও ওয়ার্ল্ড ইলেভেনকে প্রতিনিধিত্ব করা আমার কাছে বড় ব্যাপার।

 

কে এগিয়ে, বাংলাদেশ নাকি আফগানিস্তান?-এমন প্রশ্নে অবাক করা উত্তর দিলেন

 

অভিজ্ঞ বাংলাদেশ দলের সামনে আফগান চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। র‍্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ পিছিয়ে থেকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ। নিজেদের শক্তিমত্তার দিক থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও স্পিন বিভাগে আফগানদের এগিয়ে রাখছেন বাংলাদেশ দলের সহ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

বিশেষ করে পেস বিভাগে রুবেল ও মুস্তাফিজ ও স্পিন বিভাগে সাকিব-অপু বাংলাদেশের শক্তি বাড়াবে। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে রিয়াদ বলেন, ‘দুই দলের শক্তির উৎস দুটি।

আমরা পেস বোলিংয়ে তাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে আর ওরা আমাদের চেয়ে স্পিনে এগিয়ে। আমাদের পেস অ্যাটাকটা অনেক বেশী সমৃদ্ধ। রুবেল-মুস্তাফিজরা অনেকদিন ধরে খেলছে ওরা জানে কিভাবে চাপ সামলাতে হবে। সাকিব-অপুরা স্পিন সামলাবে। ওদের রশিদ-মুজিব আছে এটাও একটা বিষয়।’
স্বভাবতই আফগানিস্তান সিরিজের আগে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতিতে আফগান স্পিন শক্তি নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছে। দলের সিনিয়র ক্রিকেটার সহ কোচিং স্টাফের সদস্যরা ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিতে আলাদাভাবে সাহায্য করেছে।

রিয়াদের ভাষায়, ‘যেদিন আমাদের ক্যাম্প শুরু হয় সেদিন আমরা সব ব্যাটসম্যানরা একসাথে বসি, সঙ্গে মাশরাফি ভাইও ছিলেন সেদিন আমরা কথা বলি যে, আমাদের জন্য এটা একটা বড় সুযোগ আমরা কতটুক দায়িত্ব নিয়ে এগোতে পারি। মাস্টার (ওয়ালশ) এবং সুজন ভাই অনেক সাহায্য করছে আমাদের।

অনুশীলনের সময় মাস্টার আমাকে অনেক পরামর্শ দিয়েছেন তড়িঘড়ি না করে দেখেশুনে টাইমিংয়ের উপর খেলতে। তার এই উপদেশ শুনেই আমার কাজে এসেছে। সবাই কমবেশি সাহায্য করছে, এটা নিজেদেরকে দায়িত্ব নিতে সাহায্য করবে।‘
তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে টাইগারদের হারানোর আছে অনেক কিছু। আফগানিস্তানের মত দলের বিপক্ষে জয়ে বাহবা কম, কিন্তু হারে সমালোচনা বেশি হয়ে থাকে। সেদিক থেকে টাইগারদের বাড়তি সতর্ক থাকছে হচ্ছে।

Related Articles

Close