আইপিএলক্রিকেট

মোস্তাফিজসহ যে ৪ জন ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিবে মুম্বাই

এবারের আসরে সাকিব আল হাসান হায়দ্রাবাদের হয়ে যতোটা না সফল, ঠিক ততোতাই মুম্বাইয়ের হয়ে ব্যার্থ বাংলাদেশ পেসার মোস্তাফিজ। প্রথমে ৬ ম্যাচ খেলার পরে তাকে সাইড বেঞ্চে বসায় মুম্বাই।

এরপরে মুম্বাইয়ের প্লে অফে যাওয়ার ম্যাচটিতে ৪ অভার বল করে ৩৪ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন কাটার মাস্টার। ভারতীয় জনপ্রিয় ক্রিকেট্মাধ্যম স্পোর্টস কিডার মতে আগামী আসরে মোস্তাফিজ সহ আরো ৪ জন বিদেশী ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিবে মুম্বাই।

সেই তালিকার দুই নম্বরে রয়েছেন বাংলাদেশি কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। সংবাদ মাধ্যমটির মতে আগামী মৌসুমে প্রত্যাশামাফিক ফলাফল পেতে মোস্তাফিজকে বাদ দেয়া উচিত মুম্বাইয়ের।

তাই মুম্বাইয়ের আগামী মৌসুমের পরিকল্পনায় মোস্তাফিজকে না দেখলেও অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। মোস্তাফিজ ছাড়াও লংকান স্পিনার আকিলা দনঞ্জয়া, কিউই পেসার অ্যাডাম মিলনে এবং দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার জেপি ডুমিনিকেও বাদ দেয়া উচিত বলে উল্লেখ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি। ডুমিনি ৬ ম্যাচ খেলে মাত্র ৩৬ রান করেন। ধনাঞ্জয় ১ ম্যাচ খেলার সুযোগ পেলেও সেই ম্যাচে দিয়েছেন হাত ভরে রান। মিলনে অবশ্য খেলার সুযোগ পাননি।

 

খোঁজ মিলেছে বাংলাদেশী লেগ স্পিনার অথচ খেলে যাচ্ছেন ইংল্যান্ডে!

 

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে শুরু করে বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগে লেগ স্পিনারদের চাহিদা অনেক বেশি। বলতে গেলে কয়েক বছর যাবত ক্রিকেটের সব ফরম্যাটেই রাজত্ব করে যাচ্ছেন লেগ স্পিনাররা। আন্তর্জাতিক প্রায় সব দলেই দুই তিনজন লেগ স্পিনার রয়েছে। দিন দিন লেগ স্পিনারদের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যেখানে এশিয়ার দেশগুলোতে লেগ স্পিনাররা মাতিয়ে চলেছে সেখানে ভিন্ন বাংলাদেশ। পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভারত, শ্রীলংকা সব দলের তুলনায় ভিন্ন বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে সেরাটা দিতে পারবে এমন কোনো লেগ স্পিনার এখনো খুঁজে পায়নি বাংলাদেশ।

তবে মাঝে জুবায়ের হোসেন লিখন ও তানভীর হায়দারের মত লেগ স্পিনার এলেও শেষ পর্যন্ত মানিয়ে নিতে না পারায় বাদ পড়েছে তারা। আসন্ন ২০১৯ বিশ্বকাপে সব দল লেগ স্পিনার নিয়ে গেলেও হয়তো কোনো লেগ স্পিনার ছাড়াই যেতে হবে বাংলাদেশকে। ক্রিকেট পাড়ায় এখন আলোচিত বিষয়, বাংলাদেশে লেগ স্পিনারের অভাব।

তবে এবার খোঁজ মিলেছে নতুন এক লেগ স্পিনারের। তানভীর হাসান সোহাগ নামের এই বাংলাদেশী বংশদ্ভুত লেগ স্পিনার নিয়মিত খেলে যাচ্ছেন ইংল্যান্ডের স্থানীয় ক্লাব চিংফোর্ডে। ক্লাবটির হয়ে তিন বছর ধরে খেলে যাওয়া সোহাগ নিজের প্রথম বছর সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের কারণে জিতেছেন বানি সুইনফেন ট্রফি। এছাড়াও ক্লাবটির হয়ে ৬২ ম্যাচ খেলে ১২১ উইকেট নেয়া এই স্পিনার গেল বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ছিল ভারতীয় দলের সঙ্গে।

সেখানে নেট বোলার হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। তাই বলা যায়, বাংলাদেশি এই স্পিনারকে ইচ্ছে করলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড দেশে এনে কাজে লাগাতে পারে। একইসঙ্গে লেগ স্পিনারের অভাব মেটাতে পারে।

Related Articles

Close