ক্রিকেটবাংলাদেশ ক্রিকেট

ফুটবল নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সতর্ক করলেন ট্রেনার

রোববার আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ দল। ক্যাম্পের প্রথম দিন সকল ক্রিকেটার দিয়েছেন ফিটনেস টেস্ট। সম্প্রতি অনেক ক্রিকেটারই অনুশীলনে নিজেকে ঝালাই করে নিতে ফুটবল খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছেন। ক্রিকেটারদের ফুটবল নিয়ে সতর্ক করেছেন ট্রেনার মারিয়া ভিল্লাভারায়ন।

ফুটবল খেলতে গিয়ে ঝুঁকি আছে বলে মনে করেন মারিয়া ভিল্লাভারায়ন। তাই সবাইকে সতর্কতার সাথে খেলার আহ্বান জানান তিনি। বিশৃঙ্খলভাবে না খেলে গাইডলাইন অনুসরণ করে খেলানো হয় বলেই জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা ফুটবল খেলতে গিয়ে চোটের হাত থেকে বাঁচেন বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, “যখন আমি থাকি, তখন আমি একটি গাইডলাইন ঠিক করে দেই যে এভাবে খেলতে হবে। যেন বিশৃঙ্খলভাবে না খেলে। এজন্যই জাতীয় দলে খেলার সময় ফুটবলে বড় কোনো ইনজুরি গত চার বছরে হয়নি।

ঘরোয়া ক্রিকেট চলাকালীন ফুটবল খেলার সময় ক্রিকেটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ঘরোয়া ক্রিকেটে বা অন্য জায়গায় তো আমি তাদের খেয়াল রাখতে পারব না। অবশ্যই এখানে ঝুঁকি আছে। দায়িত্বটি ক্রিকেটারদের নিজেদেরই নিতে হবে। নিজের ভালো বুঝতে হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ট্রেনার হিসেবে কাজ করছেন মারিয়া। এর আগে এমন ঘটনা মনে করতে পারছেন না তিনি। তিনি জানান বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটার ফুটবল খেলতে গিয়ে তার মেয়াদে এ প্রথমবার চোট পেয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে মুস্তাফিজুর রহমান গোড়ালিতে চোট পেলেও তা ফুটবলের কারণে নয় বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, “আমার চার বছরের মেয়াদে এবারই প্রথম মনে হয় ফুটবলে ইনজুরি হলো। এর আগে আর হয়নি। গত দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে মুস্তাফিজুর গোড়ালিতে চোট পেল, তবে সেটা ঠিক সরাসরি ফুটবল খেলতে গিয়ে হয়নি। হাঁটার সময় মচকে যায়, খেলায় নয়।

 

ঐতিহাসিক টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে ফলোঅনে পড়েছে আয়ারল্যান্ড

নিজেদের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ, বৃষ্টিবাধায় পড়ার পর নিশ্চয়ই ভালো কিছুর অপেক্ষাতেই ছিল আয়ারল্যান্ড। পাকিস্তানকে প্রথম ইনিংসে ৩১০ রানে আটকে দেয়ায় বোলিংটা নিয়ে বেশ স্বস্তিতেই ছিল টেস্ট ক্রিকেটের নবীন সদস্যরা। তবে ব্যাট হাতে একেবারেই জবাবটা ভালো হয়নি উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের দলের।

ডাবলিনে টেস্টের তৃতীয় দিনে ১৩০ রানেই গুটিয়ে গেছে আয়ারল্যান্ডের প্রথম ইনিংস। টেস্টের প্রথম দিন বৃষ্টির পেটে যাওয়ায় ফলোঅনের সীমা নির্ধারণ হয়েছে ১৫০ রানের। ১৮০ রানে এগিয়ে থাকায় আইরিশদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে পাকিস্তান।

ডাবলিন টেস্টে দুই দলের পার্থক্যটা ভালোভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। ব্যাটিংয়ে তেমন সুবিধা করতে না পারলেও আসাদ শফিক আর ফাহিম আশরাফের জোড়া হাফসেঞ্চুরিতে ৯ উইকেটে ৩১০ রান তোলার পর ইনিংস ঘোষণা করে দেয় সফরকারিরা। জবাব দিতে নেমে পাকিস্তানী বোলারদের তোপে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পারেনি আইরিশরা।

বোর্ডের ৭ রান উঠতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বরং বড় লজ্জাই দেখছিল আয়ারল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেছেন কেভিন ও’ব্রায়েন আর নয় নাম্বারে নামা গ্যারি উইলসন। কেভিন ৪০ রানে আউট হন। তবে উইলসন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৩৩ রানে।

পাকিস্তানের পক্ষে ৪৪ রানে ৪টি উইকেট নিয়েছেন পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। ৩টি উইকেট শিকার লেগস্পিনার শাদাব খানের। মোহাম্মদ আমির নিয়েছেন ২টি উইকেট।

Related Articles

Close