আইপিএলক্রিকেট

রশিদ খান নয়, টাইগার সাকিবই সেরা

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) গতকাল দিনের একমাত্র ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে রিশাব পান্তের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান সংগ্রহ করেছে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ ১৮৮ রানের টার্গেটে পায় ৯ উইকেটে জয়।

বৃহস্পতিবার দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলায় অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের পক্ষে ৬৩ বল খেলে ১২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন রিশাব পান্ত। এই রান করার পথে তিনি ১৫টি চার মারেন ও সাতটি ছক্কা হাঁকান।

আইপিএলে এবারের আসরে এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি। আর আইপিএলে এবারের আসরে এটিই এক ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান। এর আগে সেঞ্চুরি করেন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে খেলা ক্রিস গেইল। ১০৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে খেলা শেন ওয়াটসন এক ম্যাচে ১০৬ রান করে আউট হন।

সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের পক্ষে সাকিব আল হাসান চার ওভার বল করে ২৭ রান দিয়ে দুইটি উইকেট শিকার করেন। একটি উইকেট শিকার করেন ভুবনেশ্বর কুমার। রশিদ খান নয়, টাইগার সাকিব আল হাসানই সেরা। এখানে রশিদ খান ৪ ওভার বল করে কোনো উইকেট পাননি।

উভয় দলই আজ নিজেদের ১১তম ম্যাচ খেলতে মাঠে নেমেছে। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ এখন পর্যন্ত আটটিতে জিতে পয়েন্ট টেবিলে সেরা অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লি ডেয়ারডেভিলস তিনটিতে জিতে সবার নিচে অবস্থান করছে।

 

আইপিএলে এক ম্যাচে ৪৫৯ রান, জয়ী কলকাতা

 

দুই দলের জন্যই ম্যাচটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। এখনো এদের কারোই প্লে-অফ নিশ্চিত নয়। কিন্তু প্লে-অফের রেসে এগিয়ে থাকতে এমণ একটি জয় কলকাতার জন্য দরকার ছিলো। হাইভোল্টেজ কলকাতা-পাঞ্জাবের ম্যাচে কি ছিলো না! একটা পারফেক্ট টি-২০ বিনোদন। উত্তেজনার বারুদ ঠাসানো ম্যাচটি কলকাতা জিতে ৩১ রানে। কিন্তু প্রথম ইনিংস শেষে নাইটদের স্কোর ছিলো আকাশচুম্বি।

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নারিনের ৭৫ ও শেষ দিকে কার্তিকের ঝোড়ো ফিফটিতে ২৪৫ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় কলকাতা। আইপিএলের প্রথম আসরে নিজেদের অভিষেক ম্যাচে ২২২ রানে করে নাইটরা। এরপর গত ১১ বছরে সেই রেকর্ড ছুঁতে পারেনি দলটি। আজ পাঞ্জাব বোলারদের তুলোধুনা করে চলমান আসরের সর্বোচ্চ এবং আইপিএলের ৩য় সর্বোচ্চ রান করে কলকাতা। ২৫৬ ও ২৪৮ রান নিয়ে এই তালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বেঙ্গালুরু।

ম্যাচটিতে ৩৬ বলে ৯ চার ও ৪ ছয়ে ৭৫ রানের ইনিংস খেলে টাইয়ের বলে রাহুলের হাতে ধরা পড়ে নারিন। একই ওভারে ফিরে যান উথাপ্পা। তবে সেই অভাব বুঝতে দেয়নি কার্তিক-রাসেল। ১৪ বলে ৩ ছয় ও ২ চারে ৩১ রান করে ফিরেন রাসেল। তবে আসরে নিজের প্রথম ফিফটি করতে কার্তিক খেলে মাত্র ২২ বল।

কিন্তু ২৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রাহুল, গেইল, ফিঞ্চ, অশ্বিনরা কলকাতাকে স্বতিতে রাখেনি। বিধ্বংসী শুরু করেন গেইল-রাহুল। এদিন খুব বেশি স্বস্তিতে ছিলেন না গেইল। মাত্র ২১ রানে থামেন তিনি। কিন্তু বরাবরের মতো আক্রমণাত্মক রাহুল। ২৯ বলে ৬৬ করেন তিনি। মিডল অর্ডাররা ব্যর্থ হলেও শেষ দিকে ফিঞ্চের ২০ বলে ৩৪ ও অশ্বিনের ২২ বলে ৪৫ ভর করে ২১৪ রান সংগ্রহ করে পাঞ্জাব। এই জয়ের ফলে মুম্বাইকে টপকে পয়েন্ট টেবিলে চার নাম্বারে চলে এসেছে কলকাতা।

Related Articles

Close