আন্তর্জাতিক ফুটবলফুটবল

ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য বড় সুখবর

ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য বড় সুখবর। ব্রাজিল থেকে সরাসরি পিএসজিতে ফিরেছেন নেইমার। ব্যক্তিগত বিমানে বন্ধুদের সঙ্গে তিনি প্যারিসে পা রাখেন বলে জানিয়েছে ইএসপিএন এফসি।

পিএসজির অনুশীলন ক্যাম্পে নেইমারের রিপোর্ট করার কথা রয়েছে। সেখানে পায়ের পরীক্ষাও করা হবে। শুক্রবার রাতে লিগ ওয়ানের ম্যাচ দেখতে যাওয়ার কথা রয়েছে। ইএসপিএন বলছে, সেই সময় নেইমার হয়তো এদিন আর পাবেন না।

এই মাসের ১৭ তারিখের পর নেইমার মাঠে নামার অনুমতি পাবেন। কেনের বিপক্ষে মৌসুমের শেষ ম্যাচটি খেলতে পারেন। মৌসুম শেষ করার বিষয়ে ব্যবসায়িক দিক থেকেও নেইমারের তাড়া রয়েছে। স্পন্সরদের কাছে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পিএসজির মাঠে মার্সেইকে ৩-০ গোলে হারানোর ম্যাচে গোড়ালিতে মারাত্মক আঘাত পান নেইমার। ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে বউনা সারের কাছ থেকে বল নেয়ার সময় বুটের আঘাত লাগে। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর স্ট্রেচারে করে বাইরে নিতে হয় তাকে। এরপর অস্ত্রোপচার করাতে ব্রাজিলে উড়াল দেন। এতদিন সেখানেই ছিলেন।

 

কোহলির ধার-ধারেন না শাহজাদ

 

মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে যথেষ্ট নামডাক রয়েছে আফগানিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শাহজাদের। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১৩২ স্ট্রাইকরেট রয়েছে তার নামের পাশে। শাহজাদের ব্যাটিং নিয়ে কোনো সমালোচনা না থাকলেও, তার স্থুলকায় শরীর ও ফিটনেস নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন উঠেছে। কারণ ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার বিশিষ্ট ক্রিকেটারটির ওজন প্রায় ৯৩ কেজি। তাকে ওজন কমানোর পাশাপাশি ফিটনেসের দিকে নজর দিতে বলেছে আফগান টিমের ফিজিক্যাল ট্রেনার।

এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে তার সামনে মেলে ধরা হয় ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলির খাদ্যাভ্যাস এবং অনুশীলনের সূচি। তবে এসবের ধার ধারতে রাজি নন শাহজাদ। তার মতে কোহলির চেয়ে বড় ছক্কা হাঁকাতে পারলে, শুধু শুধু কেন ডায়েট কন্ট্রোল করতে হবে! ৩০ বছর বয়সী আফগান ক্রিকেটারটি বলেন, ‘আমি এখনই কোহলির চেয়ে বড় বড় ছক্কা মারতে পারি। তাহলে অযথা কেন ওর মতো পরিমিত খাদ্যাভাস গড়ে তুলব? তবে ফিটনেস সম্পর্কে বলব, টানা ৫০ ওভার ব্যাটিং করলেও আমার কোনো রকম অসুবিধা হয় না। ফিটনেস ট্রেনিংয়ে আমি যথেষ্ট পরিশ্রম করি। তাই বলে কোহলির মতো ফিটনেস রুটিন করা সম্ভব নয়। তবে আমি ওজন কমানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু খাবারের ক্ষেত্রে কোনো রকম আপস আমার পক্ষে সম্ভব নয়।’

২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত আফগানিস্তানের হয়ে ৬৯টি ওয়ান ডে এবং ৬০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন মোহম্মদ শাহজাদ। অত্যধিক ওজনের জন্য সমালোচিত হলেও, তিনিই টি-২০ ক্রিকেটে আফগানিস্তানের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন। আর ওয়ান ডে’তে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক। জালালাবাদে জন্ম হলেও, পাকিস্তানে উদ্বাস্তু শিবিরে থাকার সময়ই ক্রিকেট খেলা শুরু শাহজাদের। সেখান থেকে আজ তিনি দেশের অন্যতম ক্রিকেটস্টার। পরের মাসে বেঙ্গালুরুতে নিজেদের প্রথম টেস্টের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য ঢের আগেভাগে ভারতে চলে এসেছে আফগানিস্তান দল। শাহজাদও এসেছেন দলের সঙ্গে। এর আগেও অনেকবার ভারতে এসেছেন তিনি। সেই সূত্রে মহেন্দ্র সিং ধোনি, সুরেশ রায়না, শিখর ধাওয়ানদের সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে সবার মধ্যে ধোনিকেই সবচেয়ে ভালো বন্ধু বলে উল্লেখ করেছেন শাহজাদ।

দীর্ঘ ১৫ বছর পর পাকিস্তান সফরের কথা ভাবছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছ থেকে আমন্ত্রণ পাওয়ায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর পাকিস্তানে দল পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (এনজেডসি)।

সর্বশেষ ২০০৩ সালে পাকিস্তান সফর করেছিল নিউজিল্যান্ড দল এবং নিরাপত্তার শংকার কারণে আর দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে যায়নি তারা।
আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি করে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-২০ ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে নিউজিল্যান্ড দলের। পিসিবির পক্ষ থেকে টি-২০ সিরিজটি পাকিস্তানের মাটিতে খেলার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে । এনজেডসি বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে এবং খুব শিগগিরই পিসিবি’কে জানাবে।

এনজেডসি’র এক মুখপাত্র জানান, ‘পাকিস্তানে খেলার বিষয়ে পিসিবি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছে এনজেডসি। এনজেডসি এই মুহূর্তে তাদের অনুরোধের বিষয়টি বিবেচনা করছে এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তা, সরকার এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা করছে। আলোচনা শেষ হলেই আমরা পিসিবি’কে জানাবো।’

২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলংকা দল বহনকারী বাসে সন্ত্রাসী হামলায় আট ব্যক্তি নিহত ও ছয় খেলোয়াড় আহত হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিষিদ্ধ আছে।

তবে একটি টি-২০ ম্যাচ খেলতে গত অক্টোবরে পাকিস্তান সফর করে শ্রীলংকা দল। এ ছাড়া সম্প্রতি করাচিতে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। করাচিতে হোটেলের বাইরে বোমা বিস্ফোরণের কারণে ২০০২ সালে পাকিস্তান সফর বাতিল করে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। তবে ২০০৩ সালে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে পাকিস্তান সফরে আসে।

পিসিবি’র একটি সূত্রের বরাত দিয়ে পাকিস্তান গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের কাছেও অনুরূপ অনুরোধ করেছে পাকিস্তান। চলতি বছরের শেষ দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ খেলার সূচি রয়েছে অস্ট্রেলিয়া দলের। এমন আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা অস্বীকার করেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট (সিএ)। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে পরবর্তী সিরিজ মধ্যপ্রাচ্যে অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছে।

সিএ’র এক মুখপাত্র বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা হচ্ছে আমাদের কাছে প্রথম বিবেচনার বিষয়। একজন অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে পরবর্তী দ্বিপক্ষীয় সিরিজটি অন্য কোথাও আয়োজনের কথা আমরা ভাবছি না।

Related Articles

Close