আন্তর্জাতিক ক্রিকেটক্রিকেট

রমজানকে স্বাগত জানালেন শচীন টেন্ডুলকার

আত্মশুদ্ধি ও সংযম সাধনার বার্তা নিয়ে বিশ্ব মুসলিমের কাছে ফিরে এসেছে পবিত্র রমজান। রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস এই রমজান মাস। শুক্রবার পবিত্র জুমাবার থেকে শুরু হচ্ছে মাহে রমজান।

দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখতে যাওয়া ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়েছেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার।

ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক নিজের অফিসিয়াল টুইটারে লেখেন, রমজানে সবার সুস্বাস্থ্য এবং সুখী জীবন কামনা করছি।

 

বড় ধরণের সুসংবাদ পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ

 

বেশ বড় ধরণের এক সুসংবাদ পেয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজ। দীর্ঘদিন ধরে ‘পেলে-পুষে’ বড় করা ইনজুরিটা ভোগাচ্ছিল বেশ। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকাকালীনই জেনেছিলেন, সেরে ওঠার জন্য লাগতে পারে অস্ত্রোপ্রচার।

তবে আপাতত মিরাজের কোনো অস্ত্রোপ্রচারের প্রয়োজন নেই। এতে তরুণ ক্রিকেটার খুঁজে পাচ্ছেন স্বস্তি। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার শুরুতে বিসিবি চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ডান কাঁধের এই ইনজুরি অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলার সময় থেকেই মিরাজকে ভোগাচ্ছে। চিকিৎসা করে ইনজুরিটি মোটামুটি ‘ম্যানেজেবল’ অবস্থায়ও ছিল। তবে সম্প্রতি সমস্যা দেখা দেয় থ্রোয়িংয়ে। দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে ইনজেকশন অথবা ফিজিওথেরাপি দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করার পরও ব্যথা না কমলে মিরাজকে যেতে হতো ছুরির নিচে।

তবে দেবাশীষ ও অভিজ্ঞদের সেই বিশেষ ‘প্রাথমিক ধাপের চিকিৎসা’য়ই সেরে উঠেছেন মিরাজ। ফলে লাগছে না কোনো অপারেশন, সার্জারি বা অস্ত্রোপ্রচার। রিহ্যাবের মধ্যে থাকা এই ক্রিকেটার এখন অনেকটাই ফিট।

বুধবার সংবাদমাধ্যমকে মিরাজ নিজেই জানান, সেরে ওঠার জন্য তার অস্ত্রোপ্রচার না লাগার বিষয়টি। তিনি বলেন, ইনজুরির স্থায়িত্ব নিয়ে যে ভয় ছিল সেটি বর্তমানে অনেকটাই কেটে গেছে। ফলে শতভাগ ফিট হয়ে ওঠা এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার তার।

সামনে আফগানিস্তান সিরিজ, এর আগে পুরো সুস্থ হয়ে উঠার জন্য যথেষ্ট সময় দেখছেন মিরাজ। তার মতে, ফিজিওর নির্দেশনা এবং জিমনেশিয়ামে যথাযথ সময় দিলে আফগানিস্তান সিরিজের আগেই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন তিনি।

এক মাসের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মিরাজ পেয়েছেন সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা। পরোক্ষভাবে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখনো সময় আছে। জিম আছে, মারিও (ভিল্লাভারানে, ফিজিও) আছেন। উনিও সহায়তা করছেন।

বায়োজিদ ভাই ছিলেন, তিনিও সহায়তা করছেন। পুরো একমাস বায়োজিদ ও দেবাশীষ স্যার দু’জন আমাকে অনেক গাইড করেছেন। এখন জাতীয় দলের ক্যাম্প চলছে। আশা করি ভালোই হয়েছে। আশা করি, ফিট হয়ে যাব। এখনো তো সময় আছে অনেক দিন।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close