আন্তর্জাতিক ক্রিকেটক্রিকেট

দাড়ি নিয়ে প্রশ্ন করায় এ-কি বললেন বিরাট কোহলি

ভারতীয় ক্রিকেটে দাড়ি এখন ইন ফ্যাশন। শুরুটা হয়েছিল বিরাট কোহলির হাত ধরে। এখন সেটা ভাইরাল হয়ে গেছে। এখন কোন ক্রিকেটাররা দাড়ি রাখেন বাছার চেয়ে কোন ক্রিকেটার দাড়ি রাখেন না সেটা বলা অনেক সহজ। কারণ সংখ্যাটা নিতান্তই নগন্য।

তারওপর বিরাট কোহলি আবার জানিয়েছেন অদূর ভবিষ্যতে দাড়ি কাটার সম্ভবনা নেই। বিরাট কোহলি নিজের সব সিদ্ধান্তই নিয়েই খোলামেলা। একটি অনুষ্ঠানে এক কোহলি-ভক্ত হঠাৎই প্রশ্ন ছুড়ে দেন বিরাটকে, ‘আপনি কি দাড়ি কাটবেন?’ সাবলীল ড্রাইভে তিনি জানিয়েছেন ‘‘আমি মনে করি না, আমি সত্যিই এটা পছন্দ করি।’’

এদিকে ফ্যানদের প্রশ্নের উত্তরে আরও সব অজানা তথ্যও চলে এসেছে সামনে। তিনি জানিয়েছেন নিজের জুতো এখনও তিনি নিজেই পরিষ্কার করেন। আসলে এই মুহূর্তে বিশ্বের সর্বোচ্চ রোজগেরে ক্রীড়াবিদদের মধ্যে তিনি সামনের সারিতে। তবুও ছোটবেলার যে স্বভাব সেটা আজও ছাড়তে পারেননি।

অন্যদিকে কোহলির স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা পর্যন্ত জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও মতেই যেন স্টাইল পরিবর্তন না করেন তাঁর স্বামী। ফলে কোহলি যে গোঁফদাড়ি কাটবেন না, সে তো বলাই বাহুল্য।

এদিকে কিভাবে নিজের দাড়ির পরিচর্যা করেন তাও খোলসা করেছেন ক্যাপ্টেন কোহলি। নিজের দাড়ি প্রসঙ্গে বিরাট বলেছেন, ‘ এটাতে আমায় ভালো দেখায়, তাই আমি এটার থেকে মুক্তি পেতে চাই না।

‘দাড়িকে যত্নে রাখার তেল এখন সহজেই পাওয়া যায়, ফলে অল্প একটু তেল লাগিয়ে নাও , আর পুরো বিষয়টি হাতের মুঠোয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘ তবে যখন এটা অনেকটা বড় হয়ে যায় তখন আমায় এটা ট্রিম করতে হয়। সেটাই একমাত্র সময়, যখন এটা একটু ছেঁটে দেওয়া হয়। অন্যসময়ে কখনই নয়।

 

বড় ধরণের সুসংবাদ পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ

বেশ বড় ধরণের এক সুসংবাদ পেয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজ। দীর্ঘদিন ধরে ‘পেলে-পুষে’ বড় করা ইনজুরিটা ভোগাচ্ছিল বেশ। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকাকালীনই জেনেছিলেন, সেরে ওঠার জন্য লাগতে পারে অস্ত্রোপ্রচার।

তবে আপাতত মিরাজের কোনো অস্ত্রোপ্রচারের প্রয়োজন নেই। এতে তরুণ ক্রিকেটার খুঁজে পাচ্ছেন স্বস্তি। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার শুরুতে বিসিবি চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ডান কাঁধের এই ইনজুরি অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলার সময় থেকেই মিরাজকে ভোগাচ্ছে। চিকিৎসা করে ইনজুরিটি মোটামুটি ‘ম্যানেজেবল’ অবস্থায়ও ছিল। তবে সম্প্রতি সমস্যা দেখা দেয় থ্রোয়িংয়ে। দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে ইনজেকশন অথবা ফিজিওথেরাপি দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করার পরও ব্যথা না কমলে মিরাজকে যেতে হতো ছুরির নিচে।

তবে দেবাশীষ ও অভিজ্ঞদের সেই বিশেষ ‘প্রাথমিক ধাপের চিকিৎসা’য়ই সেরে উঠেছেন মিরাজ। ফলে লাগছে না কোনো অপারেশন, সার্জারি বা অস্ত্রোপ্রচার। রিহ্যাবের মধ্যে থাকা এই ক্রিকেটার এখন অনেকটাই ফিট।

বুধবার সংবাদমাধ্যমকে মিরাজ নিজেই জানান, সেরে ওঠার জন্য তার অস্ত্রোপ্রচার না লাগার বিষয়টি। তিনি বলেন, ইনজুরির স্থায়িত্ব নিয়ে যে ভয় ছিল সেটি বর্তমানে অনেকটাই কেটে গেছে। ফলে শতভাগ ফিট হয়ে ওঠা এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার তার।

সামনে আফগানিস্তান সিরিজ, এর আগে পুরো সুস্থ হয়ে উঠার জন্য যথেষ্ট সময় দেখছেন মিরাজ। তার মতে, ফিজিওর নির্দেশনা এবং জিমনেশিয়ামে যথাযথ সময় দিলে আফগানিস্তান সিরিজের আগেই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন তিনি।

এক মাসের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মিরাজ পেয়েছেন সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা। পরোক্ষভাবে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখনো সময় আছে। জিম আছে, মারিও (ভিল্লাভারানে, ফিজিও) আছেন। উনিও সহায়তা করছেন।

বায়োজিদ ভাই ছিলেন, তিনিও সহায়তা করছেন। পুরো একমাস বায়োজিদ ও দেবাশীষ স্যার দু’জন আমাকে অনেক গাইড করেছেন। এখন জাতীয় দলের ক্যাম্প চলছে। আশা করি ভালোই হয়েছে। আশা করি, ফিট হয়ে যাব। এখনো তো সময় আছে অনেক দিন।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close