আন্তর্জাতিক ক্রিকেটক্রিকেট

তাহলে কী এই কারণে টেস্ট ক্রিকেটে আর থাকছে না টস!

ক্রিকেটের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ ‘টস’। সব ফরম্যাটেই টসের পরে ম্যাচের সূচনা হয়। তবে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় ফরম্যাট- টেস্টে ভবিষ্যতে টস না থাকার সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে।

পাঁচ দিনের খেলা টেস্টে স্বাগতিকরা নিজেদের ইচ্ছেমতো পিচ বানিয়ে সুবিধা নিয়ে থাকে। অস্ট্রেলিয়া,ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকায় যেমন পেসার সহায়ক উইকেট বানানো হয় তেমনি উপমহাদেশে প্রেক্ষাপট উল্টো।

বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কায় সাধারণত সুবিধা পান স্পিনাররা। অন্যদিকে স্বাগতিক দল টসে জিতলে ম্যাচের ভাগ্য অনেক ক্ষেত্রেই টসের মাধ্যমেই নির্ধারণ হয়ে যায়। টেস্টে আরও ভারসাম্য আনতে টস প্রথা তুলে নেবার কথা ভাবছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

চলতি মাসের শেষে ভারতের মুম্বাইয়ে হবে আইসিসির বৈঠক। এতে টেস্টে টস প্রথা নিয়ে বিষদ আলোচনা হবে। যদি টস প্রথা উঠে যায়, তাহলে টেস্টে সফরকারী দল আগে বোলিং কিংবা ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। আগামী বছর শুরু হবে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। টেস্টের এই বড় আয়োজনে টস প্রথা না থাকার সম্ভাবনা আছে। এমনকি আগামী বছরের অ্যাশেজেও টস বাতিল করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ক্রিকইনফো এই প্রসঙ্গে লিখেছে, ‘টেস্টে এখন স্বাগতিক দলগুলো উইকেট যেভাবে বানায়, তা উদ্বেগজনক। কমিটির একাধিক সদস্য বিশ্বাস করেন, প্রতিটি টেস্টেই টসের সিদ্ধান্ত সহজাতভাবেই সফরকারী দলকে উপহার দেওয়া উচিত; যদিও কমিটিতে এর দ্বিমত পোষণকারীরাও রয়েছেন।’

চলতি মাসের ৩১ তারিখ লর্ডসে হবে বিশ্ব একাদশ বনাম উইন্ডিজের মধ্যকার চ্যারিটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সেই ম্যাচের জন্য বিশ্ব একাদশের দলে ছিলেন বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার- সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল।

কিন্তু গতকাল (১৬ মে) হঠাতই এই চ্যারিটি ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেন সাকিব। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বিষয়টি নিশ্চিত করলেও সেটার কোনও কারণ উল্লেখ করে নি। তবে জানা গেছে, টানা ম্যাচ খেলার ধকল কাটাতেই এই ম্যাচ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন সাকিব।

 

গতকাল রুদ্ধশ্বাস জয়ের পর কাটিং এবং মোস্তাফিজের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে যা বললো রোহিত!

 

বেশ জমে উঠেছে ,এবারের আইপিএল। আর কিছু দিন পরেই কোয়ালিফাইয়ার। তবে এখন যে খেলা চলছে তাতে বলা চলে এখনি কোয়ালিফাই ম্যাচ চলছে। কারণ এখন খেলাতে যারা জিততে পারবে তারাই থাকবে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে।

গতকাল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে হারিয়ে প্লে-অফের অাশা টিকিয়ে রাখল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। জাসপ্রিত বুমরাহ জাদুকরী বোলিংয়ে এদিন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স জয়লাভ করে ৩ রানে। এই জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলের চারে উঠে এসেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তবে প্লে-অফে উঠতে হলে পরের ম্যাচে জিততেই হবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে।

আর এর পরের ম্যাচে জিতলেই প্লে-অফ নিশ্চিত মুস্তাফিজদের। ১৮৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩৪ রানের মাথায় ক্রিস গেইলকে হারায় কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। তবে অন্য প্রান্ত থেকে অ্যারন ফিঞ্চ কে সাথে নিয়ে ব্যাটিং তাণ্ডব চালায় ওপেনার কুশাল রাহুল।

২ জন মিলে গড়েন ১১১ রানের পার্টনারশিপ। ৩৫ বলে ৪৬ রান করে দলের ১৪৮ রানের মাথায় আউট হয় অ্যারন ফিঞ্চ। তবে শেষ পর্যন্ত লড়াই করতে থাকেন কুশাল রাহুল।

শেষ ৩ ওভারে দলের জয়ের জন্য প্রয়োজন হয় ৩৮ রানের। তবে ১৮ তম ওভার কাকে দিবে সেটা খুজে পাচ্ছিল না রোহিত শর্মা।পরে রোহিত আর কোন উপায় না পেয়ে বেন কাটিং কে বোলিংয়ে আনেন। বেন কাটিংয়ের এক ওভারে ১৫ রান তোলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।

তবে মুম্বাইকে বাঁচিয়ে দেন জাসপ্রিত বুমরাহ। মূলত তার জাদুকরি বোলিংয়ে এই ম্যাচে জয়লাভ করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। বোলিংয়ে এসে কুশল রাহুলকে আউট করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ১০ টি চার এবং তিনটি ছক্কার সাহায্যে ৯৪ রান করে কাটিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রাহুল।

৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট লাভ করেন ভোমরা। শেষ ওভারে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের জয়ের জন্য প্রয়োজন হয় ১৭ রানের। আর শেষ ওভারে মিচেল ম্যাকক্লেনাঘান ১৪ রান দিলে তিন রানের নাটকীয় জয় পায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে বুধবার বাঁচা-মরার ম্যাচে পোলার্ডকে একাদশে ফিরিয়েছে মুম্বাই। আর ফিরেই ঝড়ো ফিফটি হাঁকিয়েছেন এই ক্যারিবিয়ান। এই ব্যাটসম্যানের ব্যাটে চড়ে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি গড়েছে মুম্বাই। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৬ রান করেছে দলটি।

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে মুম্বাই। ওপেনার ইভিন লুইস ৯ রান করে ফিরে গেলেও সূর্যকুমার যাদব ও ইশান কিশান ভালো শুরু পেলেন। সূর্যকুমার ১৫ বলে ২৭ রান করে ফিরে যান। কিশান করেন ১২ বলে ২০ রান।

এরপর হার্দিক পান্ডিয়া ও পোলার্ডের তান্ডব। পান্ডিয়া ২৩ বলে ১টি চার ও ২ ছক্কায় ৩২ রান করেন। পোলার্ড ২৩ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় করেন ৫০ রান। এবারের আসরে পোলার্ডের এটিই প্রথম ফিফটি।

পাঞ্জাবের পক্ষে অ্যান্ড্রু টাই নিয়েছেন সর্বাধিক ৪ উইকেট। অধিনায়ক রবিচন্দ্রন অশ্বিন নিয়েছেন ২ উইকেট ।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে রোহিত বলেন আমরা আজকের ম্যাচে দৃর্দন্ত ভাবে জয় লাভ করেছি ।এই জয়টি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন ছিলো ।আমারে তা করতে পেরেছি ।পরে তিনি বেন কাটিংয়ের ১৯তম নিয়ে বলেন আসলে কাটিংও অনেক ভালো বোলার,কিন্তু ও সময় যে বোলার বোলিং করতে আসুক না কেন পতিপক্ষ চাইবে তাকে মারতে ।

ও যখন ১৫ রান দিয়ে ফেললো তখন অনেক চিন্তায় পড়ে গেছিলাম,যাই হোক আমারা শেষ পর্যন্ত পেরেছি এতেই ভালো লাগছে ।এই সময় তিনি বলেন আমারা মোস্তাফিজকে অনেক মিস করছি আশা করি পরবর্তী ম্যাচে আমাদের সাথে যোগ দেবেন ।

আর এক সাংবাদিক প্রশ্ন করে বসেন যদি মোস্তাফিজ থাকতো তাহলে কি আপাদের জন্য ম্যাচটা জয় পেতে সহজ হতো?এমন প্রেশ্নের জবাবে রোাহিত বলেন ও আসলে দারুন কাটার দিতে পারে যা যেকোন ব্যাটসম্যানের জন্য মোকাবেলা করা অনেক কষ্ট হয়ে যায় ।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close