ক্রিকেটবাংলাদেশ ক্রিকেট

টাইগারদের গর্ডন-দর্শন

১৯৯৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিকে ধরা হয় দেশের ক্রিকেটের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে। সেবার আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অসাধারণ খেলে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। এই সাফল্যের পেছনে বড় অবদান রেখেছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন কোচ গর্ডন গ্রিনিজ।

সেই গর্ডন বুধবার দেখে এলেন বাংলাদেশ দলের বর্তমান ক্রিকেটারদের। অবশ্য এক্ষেত্রে ‘গর্ডন দেখে এলেন’ বলার চেয়ে ‘ক্রিকেটাররা গর্ডনের দেখা পেলেন’ বলাই শ্রেয়। দেশের ক্রিকেটের উত্থানের সাক্ষী এই কোচ বিসিবির আমন্ত্রণে ৫ দিনের সফরে বর্তমানে রয়েছেন বাংলাদেশে।সফরের অংশ হিসেবে বুধবার মিরপুরে ক্যাম্পে থাকা মাশরাফি-রিয়াদ-মুশফিকদের সাথে সাক্ষাৎ হয় গর্ডনের। টাইগারদের প্র্যাকটিস সেশনের শেষভাগে এসে রীতিমতো মুগ্ধ করলেন জাতীয় দলের বর্তমান সেনানীদের, দিয়ে গেলেন উপদেশও-

‘পরিশ্রমের কোনোই বিকল্প নেই। পরিশ্রম করতে থাকো। ভালো ফল ও সাফল্যের পূর্ব শর্তই হলো কঠোর পরিশ্রম। যত বেশি পরিশ্রম করবে তত ভালো রেজাল্ট পাবে। খেলার আগে নিজেকে তৈরি করার প্রাণপণ চেষ্টা করবে। নিজেকে এমনভাবে প্রস্তুত করবে, যাতে যেখানেই খেলো না কেন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে যেন সমস্যা না হয়।’

গর্ডনের আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল আগেই। দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ্‌ রিয়াদ ফুল দিয়ে পূর্বসূরিদের কোচকে বরণ করে নেন। লাল-সবুজের জার্সিতে লেখা গর্ডন গ্রিনিজ- এমন জার্সি গর্ডনের হাতে তুলে দেন ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম গর্ডনের হাতে তুলে দেন বাংলাদেশ দলের ক্যাপ। বোর্ড কর্তাদের উপস্থিতিতে এভাবেই বরণ করে নেওয়া হয় তাকে।

কথার ফাঁকে মুগ্ধ হয়ে দেখলেন ক্রিকেটারদের। ক্রিকেটাররাও তার কথা শুনলেন মন্ত্র-মুগ্ধের মতো। বিশেষ টিপস দিলেন ব্যাটসম্যানদের জন্যও। গর্ডন বলেন, ‘সব সময় নিজের উইকেটের মূল্যটা বোঝার চেষ্টা করবে। যদি নিজের উইকেটের মূল্য ঠিক মত বুঝতে পারো, তাহলে দেখবা দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ আপনা-আপনি বেড়ে যাবে।’

বর্তমানের শক্তপোক্ত দলের ভিতটা গড়ে দিয়েছিলেন গর্ডন গ্রিনিজই। উপদেশ দেওয়া তো তারই সাজে!

 

রোজা রেখেই আইপিএল খেলতে হবে সাকিবকে

 

আইপিএল খেলতে ভারতে আছেন সাকিব আল হাসান এবং মোস্তাফিজুর রহমান। মোস্তাফিজ দলে জায়গা না পেলেও সাকিব ঠিকেই জায়গা পাচ্ছেন আইপিএল দলে। সামনেই রোজা, আর প্লে অফের সকল ম্যাচেই হবে দিনে।

তাই সেই হিসেবে ফ্রোজা রেখেই সবগুলো ম্যাচ খেলতে হবে সাকিবকে। এই দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর খেলায় ক্লান্তি আসতেই পারে।তবে সেটি খুব একটা কষ্টের হবে বলে না। কারণ এর আগেও অনেক মুসলিম ক্রিকেটার রোজা রেখেই খেলা করেছেন। তাই সেদিক দিয়ে সাকিবকে রোজা রেখে খেলা করতে হবে না।রোজা রাখার পর খেলা করতে হবে।এখন সাকিব কি করবেন সাকিবই ভালো জানেন?

উল্লেখ্য, সাকিবদের গ্রুপ পর্বের পরের ম্যাচ ১৭ মে বেঙ্গালুরের বিপক্ষে।এরপর ১৯ মে কলকাতার বিপক্ষে। এরপরে প্লে অফ খেলবে সাকিবরা।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close