আইপিএলক্রিকেট

মালিঙ্গার শুন্যতা পূর্ণ করতে মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়েছে তারা

জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সেরা একাদশে মুস্তাফিজুর রহমানকে দেখতে চান। চার বিদেশি কোটায় মুস্তাফিজুর রহমান ও লঙ্কান স্পিনার আকিলা ধনঞ্জয়ার মধ্যে মূল লড়াই হবে বলছেন তিনি।

কন্ডিশন বিবেচনা করেই মুস্তাফিজ ও ধনঞ্জয়ার মধ্যে একজনকে বেঁছে নিবে মুম্বাই, এমন ধারনা হার্শা ভোগলের। এছাড়া সার্বিকভাবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স সফলভাবে দল গড়তে সক্ষম হয়েছে। ক্রিকবাজের ব্লগে তিনি বলেছেন, ‘রোহিত, পান্ডিয়া ভাইদের সাথে পোলার্ড ও বুমরাহকে রেখে দিয়েছে মুম্বাই। টপ অর্ডারে এভিন লুইসের মত ব্যাটসম্যানকে দলে নিয়ে ব্যাটিং অর্ডার শক্ত করেছে। এরপর মালিঙ্গার শুন্যতা পূর্ণ করতে মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়েছে তারা। কিন্তু আকিলা ধনঞ্জয়াকে স্পিনার হিসেবে নিজে ভালো করেছে মুম্বাই।’

হার্শা ভোগলে তার পছন্দের মুম্বাই একাদশে বিদেশি কোটায় টপ অর্ডারে এভিন লুইস ও মিডেল অর্ডারে আরেক ক্যারিবিয়ান কাইরন পোলার্ডকে অটো চয়েজ হিসেবে দেখছেন। বোলিং আক্রমণে প্যাট কামিন্সের সাথে মুস্তাফিজ অথবা কণ্ডিশন বিচারে ধনঞ্জয়াকে বাজিয়ে দেখতে চাইবে তিন বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা।

এছাড়া ভারতীয়দের মধ্যে ওপেনার রোহিত শর্মা, ইশান কিশানের পর দুই পান্ডিয়া ভাইকে মুম্বাই একাদশের নিয়মিত সদস্য হিসেবে দেখছেন তিনি। সাত নম্বরে সূর্যকুমার যাদব ও বোলিং আক্রমণে মুম্বাইয়ের মূল অস্ত্র হিসেবে থাকবেন জাসপ্রিত বুমরাহ। তরুন লেগ স্পিনার রাহুল চেহেরকেও সেরা একাদশে দেখছেন হার্শা ভোগলে।

হার্শা ভোগলের মুম্বাই একাদশঃ

এভিন লুইস, রোহিত শর্মা, ইশান কিশান, ক্রুনাল পান্ডিয়া, হার্দিক পান্ডিয়া, কাইরন পোলার্ড, সূর্যকুমার যাদব/ টি ধিলন, প্যাট কামিন্স, মুস্তাফিজুর রহমান/ আকিলা ধনঞ্জয়া, জাসপ্রিত বুমরাহ, রাহুল চেহের।

 

কোনো চেষ্টাই করেনি, এর ফল একটাই হতে পারত- একটা বিস্ফোরণ

 

কেপটাউনে স্মিথদের বল বিকৃতি-কাণ্ডের পর নড়েচড়ে বসেছে আইসিসি। খেলোয়াড়দের আচরণবিধি নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে সংস্থাটি। ক্রিকেট ‘স্মরণ-কালের সবচেয়ে বাজে সময়’ পার করছে জানিয়ে আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন বলেছেন, তারা খেলোয়াড়দের আচরণবিধি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবেন।

ক্রিকেটারদের আচরণে ক্ষুব্ধ রিচার্ডসন বলেন, ‘সাম্প্রতিক সপ্তাহে নোংরা স্লেজিং, মাঠ থেকে তুলে নেয়া, আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা ও বল টেম্পারিংয়ের মতো খেলোয়াড়দের বাজে আচরণ দেখেছি। এটা সম্ভবত স্মরণকালের সবচেয়ে বাজে সময়, যেখানে খেলোয়াড়রা ধারাবাহিকভাবে বাজে আচরণ করছে। বল টেম্পারিং নিয়ে বিশ্বে যে প্রতিক্রিয়া হয়েছে, তা ক্রিকেটের জন্য যথেষ্ট।’

এ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে ভদ্রলোকের খেলা ক্রিকেটের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, ‘এ কারণে আমরা খেলোয়াড়দের আচরণবিধি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করব। খেলার স্পিরিট ও কোড অব কন্ডাক্ট নিয়ে নতুন করে ভাবব।

বোর্ডের পূর্ণ সমর্থন আমাদের প্রতি আছে। খেলার স্পিরিটই ক্রিকেটের সৌন্দর্য। যেটা খেলোয়াড়দের আচরণের সঙ্গে যুক্ত।’ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে গত শনিবার বল বিকৃতি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরন ব্যানক্রফট। এতে সায় ছিল স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারের। এ ঘটনায় স্মিথ ও ব্যানক্রফটকে শাস্তিও দিয়েছে আইসিসি। পরে তিন ক্রিকেটারকেই নিষিদ্ধ করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

আর্থারের বোমা : পাকিস্তানের বর্তমান কোচ মিকি আর্থার একসময় অস্ট্রেলিয়া দলের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১৩ সালের জুনে বিতর্কিতভাবে দায়িত্ব ছাড়তে হয় তাকে। অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান স্কোয়াডের অনেকেই সেসময় তার শিষ্য ছিলেন। বোমা ফাটিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান আর্থার। তিনি বলেছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক হলেও এমনটাই হওয়ার ছিল।’

আর্থারের মতে, বল টেম্পারিংয়ের মতো প্রতারণার চেষ্টা দলটির মজ্জাগত সংস্কৃতির অবশ্যম্ভাবী ফল, ‘যুগের পরিবর্তন, মুক্ত মতামত এবং অনেক

বেশি আচরণগত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) এবং তাদের জাতীয় দল প্রতি মৌসুমে তাদের সংগঠনের সংস্কৃতি উন্নয়নের ‘কোনো চেষ্টাই করেনি, এর ফল একটাই হতে পারত- একটা বিস্ফোরণ’’।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close