ফুটবলবাংলাদেশ ফুটবল

‘ক্ষণিকের পাগলামো’তে নিষিদ্ধ রহমতগঞ্জ কোচ

ফুটবল মাঠে যা ভাবাই যায় না, তা-ই করেছিলেন রহমতগঞ্জ ক্লাবের কোচ কামাল বাবু। স্বাধীনতা কাপ ফুটবলে রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে সরাসরি মাঠে ঢুকে তর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন! খেলা চলার সময় মাঠে ঢুকে কোচের তর্ক করার দৃশ্য ফুটবলে আগে কেউ দেখেছে কি না সন্দেহ। এমন কাণ্ডের জন্য বড় শাস্তিই পেতে হচ্ছে কামালকে।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ডিসিপ্লিনারি কমিটি এই কোচকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। সঙ্গে থাকছে দুই লাখ টাকা আর্থিক জরিমানাও। বাফুফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বাবুকে মাঠের বাইরে থাকতে হবে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আর জরিমানার টাকা ৩ মার্চের মধ্যে বাফুফের ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে।
স্বাধীনতা কাপে চট্টগ্রাম আবাহনী-রহমতগঞ্জ সেমিফাইনালে ডাগ আউট ছেড়ে মাঠের ভেতরে গিয়ে রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন কামাল বাবু, তর্কও করেছিলেন রেফারির সঙ্গে। ম্যাচের পর বাফুফের ডিসিপ্লিনারি কমিটি কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছিল রহমতগঞ্জ ও কোচকে। ক্ষমা চাইলেও তাতে ডিসিপ্লিনারি কমিটি সন্তুষ্ট হতে পারেনি।

‘বদনাম’ ঘোচাতে চান মাহমুদউল্লাহ

আঙুলের চোট সারেনি সাকিব আল হাসানের। টেস্ট সিরিজের মতো টি-টোয়েন্টিতেও তাঁকে ছাড়াই মাঠে নামতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। টেস্টের মতোই টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্বটাও করতে হচ্ছে মাহমুদউল্লাহকে। উপলক্ষটা স্মরণীয় করে রাখতে চান—আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এমন কোনো কিছু বললেন না ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। বরং, তিনি সোজাসাপটা জানিয়ে দিলেন, এই সিরিজ অনেকটাই নিজেদের ‘বদনাম’ মেটানোর লড়াই।

ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে যাচ্ছেতাইভাবে হারা, টেস্টে ঢাকায় সবকিছু কাঁচিয়ে ফেলার পর বদনামই তো কেবল জুটছে বাংলাদেশের। তবে মাহমুদউল্লাহ এসবের ধারেকাছেও গেলেন না। তাঁর মতে, ‘টি-টোয়েন্টি পুরোপুরি ভিন্ন ধরনের খেলা। এই খেলার গতিটাও ভিন্ন।’ তিনি বরং বলতে চাইলেন, ‘ভালো টি-টোয়েন্টি দল নয়’ বলে বাংলাদেশের যে পরিচিতি, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে সেই পরিচিতিটা অতীতের বিষয় বানাতে চান, ‘আমাদের টি-টোয়েন্টি সামর্থ্যের ওপর যে প্রশ্নবোধক চিহ্নটা আছে, আমরা সেটা সরাতে চাই।’

একই সঙ্গে একটা বার্তাও দিয়ে রাখতে চান মাহমুদউল্লাহ, ‘আমরা পৃথিবীর প্রতিটি দলকে একটা বার্তা দিয়ে রাখতে চাই যে টেস্ট ও ওয়ানডেতে আমরা যেভাবে এগোচ্ছিলাম. টি-টোয়েন্টিতেও আমরা সেভাবেই এগিয়েছি।’

ঘরের মাঠে সব সময়ই একটা প্রত্যাশার চাপ মাথায় নিয়ে খেলতে হয় বাংলাদেশকে। এই চাপটাই বারবার সমস্যা হয়ে দেখা দিচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বেশ বাস্তবিক তিনি, ‘আসলে এসব বলে লাভ নেই। তিন বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে ঘরের মাঠে ভালো খেলে, জিতে এই প্রত্যাশাটা আমরাই বাড়িয়েছি। সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা এই সিরিজটা খেলতে পারিনি।’

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close