আন্তর্জাতিক ফুটবলফুটবল

বাবা ফেল ভারতে, ছেলে ব্যর্থ বাংলাদেশে

টেডি শেরিংহামের নামটি শুনলেই ফুটবলপ্রেমীদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৯৯৯ চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল। সেদিন ন্যু ক্যাম্পে শেরিংহামের সেই বিখ্যাত সমতাসূচক গোলেই ম্যাচে ফিরেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। পরে তো ম্যাচটা ২-১ গোলে জিতে ইউরোপ-সেরার মুকুট পরেছিল তারা। ওল্ডট্রাফোর্ডে সোনায় মোড়ানো ক্যারিয়ার হলেও কোচ হিসেবে ডাহা ফেল তিনি। ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি ফুটবল লিগ-আইএসএলে অ্যাটলেটিকো ডি কলকাতার কোচের পদ থেকে বরখাস্ত হয়েছেন তিনি।

টেডি যখন কলকাতায় কোচ হিসেবে কাজ করছিলেন, তখন খুব কাছে ঢাকায় সাইফ স্পোর্টিংয়ের জার্সি গায়ে প্রিমিয়ার লিগে খেলছিলেন তাঁর ছেলে চার্লি। মাস দু-এক আগে ছেলের খেলা দেখতে ঢাকায় পা-ও রেখেছিলেন টেডি। কিন্তু বাবার মতোই ছেলেও ব্যর্থ হয়েছেন। সাইফ খুব একটা খুশি নয় তাদের এই ইংলিশ ফুটবলারের পারফরম্যান্সে। বলা যায় বাবা-ছেলের ‘উপমহাদেশ মিশন’ অসফলই।

আইএসএলে অ্যাটলেটিকো কলকাতার টেডির অধীনে ১০ ম্যাচ খেলে জয় পেয়েছে মাত্র ৩টি। হেরেছে চারটিতে, ড্র তিনটিতে। খুশি হওয়ার মতো ফলাফল নয় অবশ্যই। কলকাতাও এই সাবেক ইংলিশ তারকাকে বিদায় করে দিতে দ্বিধা করেনি।
ইংলিশ ক্লাব বোর্নমাউথে খেলার অভিজ্ঞতা ছিল ছেলে চার্লির। বাংলাদেশের লিগে তাঁর আসাটা আলোচিত হলেও যত দিন গড়িয়েছে, ততই হতাশ করেছেন তিনি। মাঠে তাঁকে চিনতে হয়েছে জার্সি নম্বর দেখে। লিগের দ্বিতীয় পর্বে যোগ দিয়ে গোল করেছেন মাত্র ৬টি।
এফএফসি কাপে ব্যর্থতার বোঝাটা আরও ভারী করেছেন চার্লি। মালদ্বীপের ক্লাব টিসি স্পোর্টসের বিপক্ষে দুই ম্যাচে গোল তো দূরের কথা, প্রতিপক্ষের ওপর কোনো চাপই সৃষ্টি করতে পারেননি। ফলে নতুন মৌসুমে তাঁকে আর দেখা যাবে না বলে নিশ্চিত করেছে সাইফ কর্তৃপক্ষ।
‘শেরিংহাম’ পদবির এমন করুণ পরিণতি নিশ্চয়ই প্রত্যাশিত ছিল না উপমহাদেশের দর্শকদের কাছে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close