ক্রিকেটবাংলাদেশ ক্রিকেট

পানির চেয়েও কোক বেশি খেতেন তামিম ইকবাল!

ভোজন রসিক হিসেবে চট্টগ্রামের মানুষের আলাদা খ্যাতি রয়েছে। চট্টগ্রামের বিখ্যাত খান পরিবারের ছেলে হিসেবে সেই ‘রসিকতা’ ছুঁয়ে গিয়েছিল জাতীয় দলের বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবালকেও। তবে পেশাদারিত্বের কারণে ক্রিকেটার তামিম এখন ফিটনেসে এতই মনোযোগী যে, তার প্রিয় খাবারগুলোও রীতিমতো পরিত্যাগ করতে হয়েছে।

সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক দ্যা ডেইলি স্টার”র সাথে আলাপকালে তামিম ইকবাল জানান, এমনও সময় ছিল যখন তিনি পানির চেয়েও কোক বেশি খেতেন!

তামিম বলেন, ‘কোক আমার জীবনের অন্যতম প্রিয় জিনিস ছিল। ছোটবেলা এমন একটা সময় ছিল, কোক নিয়েই আমি চিকিৎসা নিয়েছি। এই বিষয়টি থেকে বেরিয়ে আসা আমার জন্য বড় এক অর্জন। আমি বলবো না যে কোক খাওয়া পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েছি, তবে আমি গর্ব করেই বলতে পারি যে সেই অভ্যাসের ৯৫ শতাংশই এখন চলে গেছে।’

মূলত ক্রিকেটের জন্য তামিমের ডেডিকেশনই তাকে ফিটনেস সম্পর্কে সচেতন করেছে। তামিম বলেন, ‘আমার মনে আছে, ২০১৫ বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচের পর তখনকার কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের সাথে কথা বলছিলাম। তিনি কখনই আমার খেলা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেননি, কিন্তু আমার ফিটনেস এবং খাদ্যাভ্যাস নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন। সেটা থেকে আমি শিক্ষা নিয়েছি এবং পরিবর্তনের পেছনে ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়েন মূল ব্যক্তি হিসেবে কাজ করেছেন।’

দেশের জন্য খেলতে গিয়ে ক্রিকেটারদের অনেককিছু ত্যাগ করতে হয়। ব্যতিক্রম নন তিনিও। তামিম জানালেন, ‘সব ক্রিকেটারই খেলার জন্য অনেককিছু ত্যাগ করেন। আমার পরিবারের বয়স খুব বেশি নয়, কিন্তু তাও আমি তাদের দেখতে যেতে পারি না, এমনকি যখন আমি বাংলাদেশে থাকি তখনও। মঙ্গলবারে আমি ম্যাচ খেললাম, এরপর বুধবার এগারোটায় সুইমিং সেশন ছিল। ফলে আমি আমার ছেলেকে দেখতে বাসায়ও যেতে পারিনি। এসব ত্যাগ করতেই হয়।’

তামিমদের এসব ত্যাগের জন্যই তো বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে আছে বাংলাদেশের ক্রিকেট!

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close