আন্তর্জাতিক ক্রিকেটক্রিকেট

বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের মধ্যে তফাৎ পান না ম্যাথুস

নিজেদের কন্ডিশনে বাংলাদেশ কতটা শক্তিশালী তার প্রমাণ ইতোমধ্যেই দিয়েছেন মাশরাফি-সাকিব-তামিম-মুশফিকরা। টানা তিন বছর ধরে ঘরের মাঠে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে আসছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ক্রিকেটের প্রত্যেকটি ফরম্যাটে দেশের মাটিতে বাংলাদেশের রয়েছে মনে রাখার মতো সাফল্য। ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজেও বাংলাদেশকে ফেবারিট ভাবা হচ্ছে। যদিও শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস অন্যভাবে ভাবছেন। বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যে কোনও পার্থক্য দেখছেন না তিনি।

সিরিজের শুরুর আগে ঘরের মাঠে বাংলাদেশের শক্তিমত্তা মনে করিয়ে দিয়েছেন লঙ্কান কোচ চান্দিকা হাতুরুসিংহে। সেই সংবাদ সম্মেলনে কোচের পাশে বসে সবই শুনেছেন ম্যাথুস। কিন্তু বাংলাদেশকে শক্তিশালী মানলেও বুধবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে লঙ্কান অধিনায়ক জানালেন, প্রতিপক্ষ হিসেবে দু’দলই সমান শক্তিশালী।

মঙ্গলবার মিরপুরে এ প্রসঙ্গে ম্যাথুস বলেন, ‘দুই দলই সমান শক্তিশালী। চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নেওয়া তিনটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এখানে কোনো দলকে সহজভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। প্রত্যেকটি দলই ভালো এবং শক্তিশালী। ম্যাচ বাই ম্যাচ ভাবতে হবে আমাদের। আগামীকাল (বুধবার) আমাদের যে ম্যাচটি আছে, আমরা কেবল সেটি নিয়েই ভাবছি। এরপর পরবর্তী ম্যাচ নিয়ে ভাবা যাবে।’

ম্যাথুসের এমন আত্মবিশ্বাসের কারণ অবশ্য মিরপুরের উইকেট। বিভিন্ন সময় এখানে খেলেছেন বলেই মিরপুরের উইকেট ও কন্ডিশন ম্যাথুসের জানা। তবে উইকেট পরিচিত হলেও সময় ও পরিস্থিতির উপর অনেককিছু নির্ভর করে জানিয়ে ডানহাতি এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমরা যেমন এখানে ক্রিকেট খেলেছি জিম্বাবুয়েও প্রচুর খেলেছে। উইকেট ও কন্ডিশন সম্পর্কে আমাদের ভাল ধারণা রয়েছে। কিন্তু আপনি চাইলে শতভাগ অনুমান করতে পারবেন না। ম্যাচের দিন কন্ডিশন ও পরিস্থিতি বুঝতে হবে। পরিস্থিতির উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তটা নেওয়া জরুরি।’

গেল বছর লঙ্কানদের মাটিতে নিজেদের শততম টেস্ট ম্যাচটি খেলেছে বাংলাদেশ। এবার মিরপুরের ১০০তম ম্যাচের স্বাক্ষী হতে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। মিরপুরের ১০০তম ম্যাচ নিয়ে রোমাঞ্চিত ম্যাথুস বলেন, ‘মিরপুর আমাদের জন্য ভালো একটি ভেন্যু। ২০১৪ সালে আমরা এখানে দারুণ সময় কাটিয়েছি। এগুলো এখন ইতিহাস। আগামীকাল আমাদের একটি নতুন শুরু করতে হবে। আমাদের এখানে অনেক সুখস্মৃতি আছে এবং আমরা এখানে আরও ভালো কিছু করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।’

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close