ক্রিকেটবাংলাদেশ ক্রিকেট

জাতীয় দলে না খেলেই তামিমের বিশ্ব রেকর্ড চুরমার করতে যাচ্ছে এই ব্যাটসম্যান

তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, কিংবা মুসফিকুর রহিমের মত এতটা জনপ্রিয় নন মিজানুর রহমান। সদ্য শেষ হওয়া জাতীয় ক্রিকেট লিগে রাজশাহী বিভাগের হয়ে খেলেছিলেন এই ব্যাটসম্যান। আর এই টুর্নামেন্টে শেষের তিন ম্যাচে টানা তিনটি শতক হাকিয়েছিলেন রাজশাহীর এই ব্যাটসম্যান। সেই ধারাবাহিকতা এবার তিনি বজায় রেখেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) এ।

ব্যাট হাতে প্রথম ম্যাচে বিসিবি নর্থ জোনের হয়ে ৪৯ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন। অার অাগামীকাল যদি তিনি সেঞ্চুরি করতে পারেন তবে ফাস্ট-ক্লাস ক্রিকেটে টানা চার সেঞ্চুরি করবেন তিনি। এর অাগে টানা চার সেঞ্চুরি করতে পারেনি বাংলাদেশের কনো ক্রিকেটার। এর অাগে টানা তিন সেঞ্চুরি করেছেন তামিম ইকবাল।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বিসিবি নর্থ জোনের অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম। তার সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করেন নর্থ জোনের বোলাররা। বিশেষ করে মিডিয়াম ফাস্ট বোলার আরিফুল হক।

আরিফুল, শফিউল ও শুভাশীষ রায়ের বোলিং তোপে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন অলআউট হয়ে যায় ১৮৮ রানে। জবাবে নর্থ জোন তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯৩ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করেছে। ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের চেয়ে এখনো তারা ৯৫ রানে পিছিয়ে রয়েছে।

ক্রিজে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিজানুর রহমান। মিজানুর ৮০ বল খেলে ৭টি চারের সাহায্যে ৪৯ রানে অপরাজিত আছেন। তার সঙ্গে ৭৭ বল খেলে ৬টি চারের সাহায্যে ৪২ রানে অপরাজিত আছেন শান্ত। তারা দুজন বুধবার সকালে দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নামবেন।

মঙ্গলবার সকালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে পানি পানের বিরতি পর্যন্ত ট্রাকেই ছিল ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন। ১৪ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৩০ রান তুলেছিল এ সময়। এরপরই ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের ব্যাটসম্যানদের উপর ছড়ি ঘোড়াতে শুরু করে বিসিবি নর্থ জোনের বোলাররা।

মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের দুইবারের চ্যাম্পিয়ন ওয়ালটন। পরের পানি পানের বিরতিতে যাওয়ার আগে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০১ রান সংগ্রহ করে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন। চা বিরতিতে যাওয়ার আগেই ১৮৮ রানে অলআউট হয়ে যায় ওয়াহিদুল গনির শিষ্যরা।

ব্যাট হাতে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা ছিলেন নিষ্প্রভ। লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যান একমাত্র ইরফান শুক্কুর ব্যতিক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ৫৫ বল খেলে ৭টি চার ও ২ ছক্কার সাহায্যে অপরাজিত ৫৭ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের পেসার তাসকিন আহমেদ। ২৭টি রান আসে মেহরাব হোসেন জুনিয়রের ব্যাট থেকে। ১৯ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের অধিনায়ক মোশাররফ হোসেন রুবেল।

বল হাতে বিসিবি নর্থ জোনের মিডিয়াম পেসার আরিফুল হক একাই নিয়েছেন ৪টি উইকেট। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন শফিউল ইসলাম ও শুভাষীশ রায়। অপর উইকেটটি নিয়েছেন ফরহাদ রেজা।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close